১। অক্সিজেন পরিবহনঃ লোহিত রক্তকণিকা অক্সিহিমোগ্লোবিন হিসেবে অক্সিজেন পরিবহন করে।
২। কার্বন ডাই অক্সাইডঃ লোহিত রক্তকণিকা কার্বামিনোহিমোগ্লোবিন হিসেবে কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন করে।
৩। পিত্তরঞ্জক উৎপন্নঃ লোহিত রক্তকণিকা পরিবর্তিত হয়ে বিলিরুবিন ও বিলিভার্ডিন তৈরী করে।
৪। সান্দ্রতা ঃ ইহা রক্তের ঘনত্ব ও সান্দ্রতা বজায় রাখে।
৫। অম্ল–ক্ষারের ভারসাম্য বজায়ঃ লোহিত রক্তকণিকা দেহে অম্ল–ক্ষারের ভারসাম্য বজায় রাখে।
৬। ব্লাড গ্রুপিংঃ এর প্লাজমা মেমব্রেণেন অ্যান্টিজেন প্রোটিন থাকে যা ব্লাড গ্রুপিং এর জন্য দায়ি।
৭। নাইট্রিক অক্সাইড উৎপন্নঃ লোহিত রক্তকণিকা নাইট্রিক অক্সাইড উৎপন্ন করে। নাইট্রিক অক্সাইড এন্ডোথেলিয়াল কোষে L-arginine এর মতো ব্যবহার হয়।
৮। রক্ত নালিকার সঙ্কোচনঃ লোহিত রক্তকণিকা হাইড্রোজেন সালফাইড উৎপন্ন করে। হাইড্রোজেন সালফাইড রক্ত নালির সঙ্কোচনের জন্য সংকেত প্রদান করে।