শিল্পক্ষেত্রে শৈবালের গুরুত্ব । Importance of Industry । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) সামুদ্রিক শৈবালের কেল্প হতে ফিটকিরি, কাঁচ, সোডা, পটাশ, অ্যালজিনিক এসিড ও সাবান তৈরী করা হয়।
(ii) বাদামী শৈবালের অলজিন এবং লোহিত শৈবালের জিলাটিন হতে আইসক্রিম, জেরি, রং, বার্নিস, শ্যাম্পু ও প্রসাধনী তৈরী করা হয়।
(iii) শৈবালের অ্যাগার-অ্যাগার থেকে সাবান, কাগজ, ফটোগ্রাফি, রেয়ন প্রভৃতি তৈরী করা হয়।
(iv) শৈবালে প্রাকৃতিক উপায়ে স্টার্চ ও পলিহাইড্রোক্সি-অ্যালকানোয়েটস জাতীয় পলিমার সৃষ্টি হয়। এ সব পলিমার থেকে বায়োপ্লাস্টিক তৈরী করা হয়।
(v) শৈবালের কারাজিন খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে, রেয়ন, ওষুধ শিল্পে, চামড়া শিল্পে, টুথপেস্ট ও রং তৈরীতে ব্যবহার হয়।
(vi) শৈবালের ফুরসেলারান জ্যাম-জেলি তৈরী, মাছ-মাংস সংরক্ষণ এবং টুথপেস্ট ও ওষুধ শিল্পে ব্যবহার হয়।
(vii) শৈবালের ফিউনোরি কাগজ, বস্তু শিল্পে এবং আঠা তৈরীতে ব্যবহার হয়।
(viii) Laminaria শৈবাল থেকে আয়োডিন ও পটাশ উৎপন্ন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *