সাইটোপ্লাজমের গুরুত্ব/বিপাকীয় ভূমিকা

সাইটোপ্লাজমের জৈব উপাদান
১। প্রোটিনরঃ সাইটোপ্লাজমে প্রোটিনের পরিমাণ ৭-১০%। এতে তিন ধরণের প্রোটিন থাকে।
(i) সরল প্রোটিনের মধ্যে অ্যালবিউলিন, গ্লোবিউলিন, হিস্টোন ও প্রোটামিন উল্লেখযোগ্য।
(ii) কনজুগেটেড প্রোটিন গুলো হলো গ্লাইকোপ্রোটিন, নিউক্লিওপ্রোটিন, লিপোপ্রোটিন, ক্রোমোপ্রোটিন ইত্যাদি প্রধান।
(iii) উৎপাদিত প্রোটিন হলো প্রোটিওজ, পেপটোন, লাইপেজ প্রভৃতি প্রধান।
২। লিপিডঃ  সাইটোপ্লাজমে লিপিডের পরিমাণ ১-৩%। সাইটোপ্লাজমের প্রধান লিপিড হলো গ্লিসারাইডস্, গ্লাইকোলিপিড, ফসফোলিপিড, লিপোপ্রোটিন, কোলেস্টেরল ইত্যাদি।
৩। কার্বোহাইড্রেটঃ  সাইটোপ্লাজমে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ ১-১.৫%। তিন ধরণের কার্বোহাইড্রেট থাকে।
(i) সাইটোপ্লাজমের প্রধান মনোস্যাকারাইড হলো গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, গ্যালাক্টোজ ইত্যাদি প্রধান।
(ii) ডাইস্যাকারাইড হলো সুক্রোজ, ম্যালটোজ ও ল্যাকটোজ।
(iii) পলিস্যাকারাইড হলো স্টার্চ ও গ্লাইকোজেন প্রধান।
৪। এনজাইমঃ  সাইটোপ্লাজমে এনজাইম ও কো-এনজাইম থাকে।
৫। নিউক্লিক এসিডঃ  সাইটোপ্লাজমে নিউক্লিক এসিড থাকে।

 

 

সাইটোপ্লাজমের গুরুত্ব/বিপাকীয় ভূমিকা
১। সাইটোপ্লাজম কোষের মূল উপাদান। এর ভিতরে সকল অঙ্গাণু এবং নিউক্লিয়াস থাকে।
২। ইহা দেহের জৈবিক কাজ করে।
৩। ইহা দেহের বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটায়।
৪। ইহা উত্তেজনায় সাড়া দেয়।
৫। সাইক্লোসিসের মাধ্যমে অঙ্গাণুর নড়াচড়ায় সাহায্য করে।
৬। ইহা এনজাইম ধারণ করে।
৭। ইহা শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।
৮। দেহে আয়নিক ভারসাম্য রক্ষা করে।
৯। ইহা কোষের অম্লত্ব ও ক্ষারত্ব নিয়ন্ত্রণ করে।
১০। অভি¯্রবণিক চাপ ও তরলের ঘনমাত্রা বজায় রাখে।
১১। হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে।
১২। ইহা জীবের বংশবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১৩। রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়।
১৪। ইহা বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনে সাহায্য করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *