সিলেন্টেরন এর গঠন ও কাজ ।। Coelenteron ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের দেহগহ্বরকে সিলেন্টেরন বলে। হাইড্রার দেহগহ্বর হলো সিলেন্টেরন। আর্কেন্টেরন রুপান্তরিত হয়ে সিলেন্টেরন সৃষ্টি হয়। ইহা গ্যাস্ট্রোডার্মিস দ্বারা আবৃত থাকে। এতে বহিঃকোষীয় পরিপাক ঘটে। এর মধ্য দিয়ে খাদ্যসার ও রেচন পদার্থ পরিবাহিত হয়। তাই একে গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর (Gastrovascular cavity) বা পরিপাক সংবহন গহ্বর বলা হয়। সিলেন্টেরনকে অনেক সময় ব্লাইন্ড গাট (Blind gut) বা ব্লাইন্ড স্যাক (Blind sac) বলা হয়। মুখছিদ্রের মাধ্যমে ইহা বাইরে উন্মক্ত হয়। মুখছিদ্র দ্বারা খাদ্য গ্রহণ ও বর্জ্য ত্যাগ করে।

 

সিলেন্টেরনকে পরিপাক সংবহন বলা হয় কেন

নিডারিয়া জাতীয় প্রাণীদের পৌষ্টিকনালি এবং দেহগহ্বর উভয়ের কাজ সিলেন্টেরন দ্বারা সম্পন্ন হয়। সিলেন্টেরন খাদ্য পরিপাক, খাদ্যসার পরিবহন, শ^সন, রেচন, বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজ করে। খাদ্য বস্তু সিলেন্টেরনে গৃহীত হয় এবং বহিঃকোষীয় ও অন্তঃকোষীয় পরিপাক সম্পন্ন হয়। অপাচ্য খাদ্যাংশ এবং বর্জ্য পদার্থ মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে বাইরে নির্গত হয়। তাই সিলেন্টেরনকে পরিপাক সংবহন গহ্বর বা গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর (Gastrovascular cavity) বলা হয়।

সিলেন্টেরনের গুরুত্ব

১। সিলেন্টেরন খাদ্য ধারণ করে।

২। ইহা বহিঃকোষীয় পরিপাক ঘটায়।

৩। এর মধ্য দিয়ে খাদ্যসার ও রেচন পদার্থ পরিবাহিত হয়।

৪। ইহা মুখছিদ্র দ্বারা বর্জ্য ত্যাগ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *