১। পাইরুভিক এসিড তৈরীঃ C4 চক্রে পাইরুভিক এসিড উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন পাইরুভিক এসিড উদ্ভিদ দেহে জমা থাকে।
২। উদ্ভিদের খাদ্যঃ C4 চক্রে খাদ্য উৎপাদন বেশি হয়। এই খাদ্য উদ্ভিদের চাহিদা পূরণ করে। চক্রটি না ঘটলে উদ্ভিদ দেহে খাদ্য অভাব দেখা দেবে।
৩। প্রাণীজগতের খাদ্যঃ C4 চক্রে উৎপন্ন খাদ্য উদ্ভিদদেহে সঞ্চিত থাকে। প্রাণীরা উদ্ভিদকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে এবং নিজেদের খাদ্য চাহিদা পূরণ করে।
৪। সালোকসংশ্লেষণ সচল রাখাঃ C4 চক্র না ঘটলে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া অচল হয়ে যেত। তাই সালোকসংশ্লেষণে C4 চক্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫। জৈব এসিড তৈরীঃ এই চক্রে অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড ও ম্যালিক এসিড উৎপন্ন হয়। এসব জৈব এসিড উদ্ভিদের জৈবিক কাজ সম্পন্ন করে।
৬। প্রয়োজনীয় উপাদানঃ C4 চক্রে অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড, ম্যালিক এসিড, পাইরুভিক এসিড, ফসফো–এনল পাইরুভিক প্রভৃতি তৈরী হয়। এসব উপাদান উদ্ভিদের জন্য অতি প্রয়োজনীয়।
৭। বিপাক ক্রিয়াঃ এ চক্রে উৎপন্ন বিভিন্ন ধরনের এসিড বা বস্তু উদ্ভিদ দেহে বিপাক ক্রিয়া ঘটায়।
৮। ATP তৈরীঃ C4 চক্রে ATP উৎপন্ন হয়। ATP উদ্ভিদ দেহে শক্তি সরবরাহ করে।
৯। NAD ম্যালিক গতিপথঃ NAD ম্যালিক এনজাইম C4 গতিপথ চিনা, কাউন, মিল্ল্যাত প্রভৃতি উদ্ভিদে কার্যকরী।
এসব উদ্ভিদ এই চক্রের মাধ্যমে খাদ্য তৈরী করে।
১০। NADP ম্যালিক গতিপথঃ NADP ম্যালিক এনজাইম C4 গতিপথ ভূট্রা, ইক্ষু, সরগাম, ক্র্যাব ঘাস প্রভৃতি উদ্ভিদে কার্যকরী। এসব উদ্ভিদ এই চক্রের মাধ্যমে খাদ্য তৈরী করে।
১১। ফসফো–এনল পাইরুভেট গতিপথঃ গিনি ঘাসে ফসফো–এনল পাইরুভেট কার্বোক্সিকাইনেজ C4 গতিপথ কার্যকরী।