১। রোগী জ্ঞান হারাতে পারে, নড়াচড়া বা শ্বাস–প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
২। ব্যথাসহ ফুলে যেতে পারে বা রক্তক্ষরণ হতে পারে।
৩। হাত, পা বা অস্থিসন্ধি বিকৃত হতে পারে।
৪। শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি রহিত হতে পারে।
৫। মাংস ও ত্বক ছিড়ে অস্থি বের হয়ে আসতে পারে।
৬। আঘাত প্রাপ্ত স্থান অসাড় বা নীলাভ বর্ণের হয়ে যেতে পারে।
৭। মস্তিষ্ক, ফুসফুস, যকৃত, হৃৎপিন্ড প্রভৃতি আঘাত পেতে পারে।