১৯১৬ সালে স্যার এডওয়ার্ড শারপে শ্যাফার মানুষের অগ্ন্যাশয় থেকে ক্ষরিত ইনসুলিন আবিষ্কার করেন। ১৯২১ সালে কানাডিয়ান শারীরবিজ্ঞানী ব্যানটিং ও বেস্ট ইনসুলিনের ডায়াবেটিস প্রতিরোধী ভূমিকার কথা বর্ণনা করেন। ১৯২৩ সালে ইলি লিলি শুকর ও গরুর অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন সংগ্রহ করে বাজারজাত করেন। ১৯৫৪ সালে ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার মানব ইনসুলিনের অ্যামাইনো এসিড সিকুয়েন্স এবং রাসায়নিক গঠন আবিষ্কার করেন। ১৯৭৭ সালে ইটাকুরা (Itakura) এবং তাঁর সহকর্মীরা সর্বপ্রথম মানব ইনসুলিনের শৃঙ্খল দুটি সংশ্লেষণ করেন। ১৯৮০ সালে ডেনমার্কের Novo Industry শুকরের ইনসুলিনকে ৯৯% বিশুদ্ধ মানব ইনসুলিনে রুপান্তরিত করেন। ১৯৮১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার Hope National Medical Center-এর বিজ্ঞানীরা বিশুদ্ধ মানব ইনসুলিন উৎপাদন করে। ১৯৮২ সালে Eli Lilly হিউমুলিন নামক মানব ইনসুলিন বাণিজ্যিক ভাবে উৎপাদন করে। বর্তমানে জেনিনটেক, নভো ইন্ডাস্ট্রি, বায়োজেন, ইলি লিলি প্রভৃতি কোম্পানি বাণিজ্যিক ভাবে বিশুদ্ধ মানব ইনসুলিন বাজারজাত করছে।