ঐচ্ছিক পেশীর গঠন । Voluntary muscle

ইহা লম্বা নলাকার পেশী। এর দৈর্ঘ্য সেমি এবং ব্যাস ১০৪০ মাইক্রোমিটার। কোষ গুলোকে সুক্ষ্ম তন্তুর মতো মনে হয় বলে একে পেশীতন্তু নামেও আখ্যায়িত করা হয়।

১। সারকোলেমাঃ পেশী কলা সারকোলেমা নামক আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে।

২। সারকোপ্লাজমঃ এর সাইটোপ্লাজমকে সারকোপ্লাজম বলে। সাইকোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। কারণ এসব কোষে প্রচুর শক্তি প্রয়োজন হয়।

৩। নিউক্লিয়াসঃ প্রতিটি পেশিকোষে একাধিক নিউক্লিয়াস। ইহা কোষের জৈবিক কাজ করে।

৪। মায়োফাইব্রিলঃ কোষের দৈর্ঘ্য বরাবর মায়োফাইব্রিল তন্তু থাকে। মায়োফাইব্রিল তন্তুগুলো অ্যাকটিন মায়োসিন ফিলামেন্ট দ্বারা গঠিত। অ্যাকটিন মায়োসিন ফিলামেন্ট গুলোকে একত্রে সারকোমিয়ার বলে।  মায়োফাইব্রিলে দুই ধরনের রেখা বা ব্যান্ড থাকে। অ্যানাইসোট্রপিক ব্যান্ড (A) এবং আইসোট্রপিক ব্যান্ড (I) গাঢ় ব্যান্ড গুলোকে অ্যানাইসোট্রপিক বা A ব্যান্ড এবং হালকা ব্যান্ড গুলোকে আইসোট্রপিক বা I ব্যান্ড বলে।                                   

৫। অনুপ্রস্থ রেখাঃ ঐচ্ছিক পেশীতে কতক গুলো অনুপ্রস্থ রেখা দেখা যায়। রেখা গুলোর জন্য একে রৈখিক পেশী বা চিহ্নিত পেশী বলা হয়।

৬। ফ্যাসিকুলাসঃ পেশিতন্তু গুলো গুচ্ছবদ্ধ ভাবে অবস্থান করে। প্রতিটি গুচ্ছকে ফ্যাসিকুলাস বলে। প্রতিটি ফ্যাসিকুলাস পেরিমাইসিয়াম দ্বারা আবৃত থাকে। অনেক গুলো ফ্যাসিকুলী মিলিত হয়ে বড় গুচ্ছ গঠন করে। প্রতিটি বড় গুচ্ছ এপিমাইসিয়াম দ্বারা আবৃত থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *