কোষঝিল্লির গুরুত্ব । কোষঝিল্লির প্রয়োজনীয়তা । Cell membrane । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

 

কোষঝিল্লির গুরুত্ব / প্রয়োজনীয়তা

১। আকৃতি দানঃ  প্লাজমা ঝিল্লি প্রতিটি কোষকে নির্দিষ্ট আকৃতি প্রদান করে। উদ্ভিদ কোষে প্লাজমা পর্দার বাইরে কোষ প্রাচীর থাকলেও প্রাণী কোষে শুধু মাত্র প্লাজমা পর্দা থাকে। এ কারণে প্রাণী কোষের নির্দিষ্ট আকৃতি প্রদানে কোষ ঝিল্লি মুখ্য ভুমিকা পালন করে।

২। সজীব অংশকে রক্ষাঃ  প্লাজমা পর্দা সর্বদা কোষের সজীব প্রোটোপ্লাজমকে আবৃত করে রাখে এবং বাইরের তাপ, চাপ ও আঘাত থেকে রক্ষা করে।

৩। খাদ্য গ্রহণঃ  ইহা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় কঠিন খাদ্য এবং পিনোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় তরল খাদ্য গ্রহণ করে।

৪। অঙ্গাণু সৃষ্টিঃ   ইহা কোষের অতি প্রয়োজনীয় কয়েকটি অঙ্গাণু মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, গলগি বডি, নিউক্লিয়ার মেমব্রেণ প্রভৃতি সৃষ্টিতে সহায়তা করে।

৫। রাসায়নিক দ্রুত হিসেবেঃ  প্লাজমা পর্দা কোষের বাহির থেকে নিউরোট্রান্সমিটার, হরমোন প্রভৃতির সাহায্যে রাসায়নিক উপায়ে তথ্য সংগ্রহ করে।

৬। রাসায়নিক ক্ষরণঃ  ইহা কোষের জন্য এনজাইম ও অ্যান্টিজেন ক্ষরণ করে।

৭। শারীরবৃত্তীয় কাজঃ  প্লাজমা মেমব্রেন জীবদেহে শ্বসন ও অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজে অংশ গ্রহণ করে।

৮। উদ্দীপনা পরিবহনঃ  ইহা কোষের বাহির হতে ভিতরে এবং এক কোষ হতে অন্য কোষে স্নায়ু উদ্দীপনা পরিবহন করে।

৯। পরিবহনঃ  প্লাজমা পর্দার ভিতর দিয়ে কোষের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড, গ্লুুকোজ, আয়ন প্রভৃতি কোষের বাহির হতে ভিতরে প্রবেশ করে। অপরদিকে, কোষে সৃষ্ট কার্বন ডাই অক্সাইড, অ্যামোনিয়া, ইউরিক এসিড প্রভৃতি কোষের ভিতর হতে বাইরে বেরিয়ে যায়।

১০। অভিস্রবনীয় প্রতিবন্ধকঃ ইহা কোষের বহি ও অন্তঃমাধ্যমের মধ্যে প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে।

১১। আণবিক সচলতাঃ ইহা কোষের আণবিক সচলতা নিয়ন্ত্রণ করে।

১২। শক্তি উৎপাদনঃ ব্যাকটেরিয়ার কোষ ঝিল্লি ভাঁজ হয়ে মেসোজোম সৃষ্টি করে। মেসোজোম শ্বসন ঘটায় এবং শক্তি উৎপন্ন করে।

রে না। মস্তিস্কের নিউরনে টাইট জাংশন থাকে।

One thought on “কোষঝিল্লির গুরুত্ব । কোষঝিল্লির প্রয়োজনীয়তা । Cell membrane । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *