১। উচ্চ তাপমাত্রাঃ উচ্চ তাপমাত্রা ও বিকিরণ ক্রসিংওভার সংঘটন প্রবণতা বৃদ্ধি করে।
২। বয়োঃবৃদ্ধিঃ জীবের বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্রসিংওভার সংঘটন প্রবণতা হ্রাস পায়।
৩। মিউটেশনঃ মিউটেশনের কারণে ক্রসিংওভারের মাত্রা হ্রাস পায়।
৪। ইনভারশনঃ ইনভারশন ক্রসিংওভার প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়।
৫। ইন্টারফারেন্সঃ ক্রোমোসোমের যে স্থানে কায়াজমা সৃষ্টি হয় তার কাছাকাছি স্থানে আরেকটি কায়াজমা সৃষ্টি বাধাগ্রস্থ হয়। এ ঘটনাকে ইন্টারফারেন্স বলে।
৬। রেডিওমিমেটিক পদার্থঃ যে সব রাসায়নিক পদার্থ সোমাটিক ক্রসিংওভারের হার বৃদ্ধি করে তাকে রেডিওমিমেটিক পদার্থ বলে। যেমন– ইথাইলমিথেন সালফোনেট।
৭। রাসায়নিক পদার্থঃ বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ক্রসিংওভার হ্রাস করে। যেমন– কলচিসিন, সেলিনিয়াম প্রভৃতি।