১। ডিম্বাশয়ঃ ডিম্বাশয় হলো স্ত্রীজননতন্ত্রের মুখ্য অঙ্গ। প্রতিটি ডিম্বাশয় ৬-৮টি অণুডিম্বাশয় বা ওভারিওল দ্বারা গঠিত। অণুডিম্বাশয় গুলোতে ডিম্বাণু থাকে।
২। ডিম্বনালীঃ ডিম্বাশয়ের অণুডিম্বাশয় গুলো মিলিত হয়ে একটি খাটো ও চওড়া ডিম্বনালী গঠন করে। এর মধ্য দিয়ে ডিম্বাণু যোনীতে প্রবেশ করে।
৩। যোনীঃ দুপাশের দুটি ডিম্বনালী মিলিত হয়ে যোনী গঠন করে। ইহা ৭ম খন্ডকের ওভিপোজিটরের মাঝে অবস্থিত। যোনী হলো একটি পেশিবহুল প্রকোষ্ঠ। ইহা ডিম্বাণুকে জননথলীতে পৌছে দেয়।
৪। শুক্রধানিঃ ডিম্বনালীর মাঝখানে একজোড়া অসম অঙ্গ থাকে। এদের স্পার্মাথিকি বলে। এর নালীকে স্পার্মাথিকা নালী বলে। স্পার্মাথিকা পৃথক ছিদ্র পথে যোনীতে উন্মুক্ত হয়। ইহা শুক্রাণুকে সাময়িক সময়ের জন্য জমা রাখে।
৫। জননথলীঃ যোনীর পরবর্তী অংশকে জনন থলী বলে।
৬। জনন ছিদ্রঃ জনন থলীর ছিদ্রকে জনন ছিদ্র বলে। এর মধ্য দিয়ে শুক্রাণু ভিতরে প্রবেশ করে।
৭। সহায়ক গ্রন্থিঃ প্রতিটি ডিম্বাশয়ের উপরিভাগে একটি সহায়কগ্রন্থি বা কোলেটেরিয়াল গ্রন্থি থাকে। ইহা ডিম্বনালির মাধ্যমে যোনিতে উন্মুক্ত হয়। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত আঠালো তরলডিমকে গুচ্ছাবদ্ধ রাখে।