ছত্রাকের অঙ্গজ জনন । Vegetative reproduction of fungi

১। দ্বিবিভাজন (By fissin)ঃ এককোষী ছত্রাক খাদ্য গ্রহণ করে আকারে বড় হয় এবং দ্বিবিভাজন প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে দুইটি নতুন ছত্রাক উৎপন্ন করে। যেমন- Saccharomyces

২। খন্ডায়ন (Segmentation)ঃ আঘাত অথবা ভৌত কারণে বহুকোষী ছত্রাকের মাইসেলিয়াম দুই বা ততোধিক খন্ডে পরিনত হয়। প্রতিটি খন্ড থেকে একটি করে নতুন ছত্রাক সৃষ্টি হয়। যেমন- Saprolegnia, Aspergillus, Rhizopus, Penicillium প্রভৃতি।

৩। বাডিং (Budding)ঃ অনুকূল  পরিবেশে ছত্রাক খাদ্য গ্রহণ করে আকারে বড় হয়। দেহের পার্শ্ব থেকে উপবৃদ্ধি সৃষ্টি হয়। এরপর উপবৃদ্ধি থেকে বাড বা মুকুল উৎপন্ন হয়। মুকুল মাতৃদেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নতুন ছত্রাকের জন্ম দেয়। যেমন- Saccharomyces.

৪। স্কেরোশিয়াম (Sclerotium)ঃ কোন কোন ছত্রাকের হাইফি জড়াজড়ি করে গোলাকার বা বেলনাকার শক্ত ও জটিল গঠন সৃষ্টি করে। একে স্কেরোশিয়াম বলে। স্কেরোশিয়াম প্রতিকূল পরিবেশে সুপ্ত অবস্থায় থাকে এবং অনুকূল পরিবেশে অংকুরিত হয়। যেমন- Agaricus, Claviceps, Polyporus প্রভৃতি।

৫। স্পন (Spon)ঃ ছত্রাকের মাইসেলিয়ামকে আশ্রয় স্থলের সাথে মিশিয়ে ব্লক তৈরী করা হয়। পরে উহা কালচারের মাধ্যমে চাষ করে বংশবৃদ্ধি করা হয়। একে স্পন বলে। যেমন- Agaricus

৬। গিমা (Gima)ঃ ছত্রাকের হাইফির শীর্ষের নিউক্লিয়াস যথেষ্ট পরিমাণ সাইটোপ্লাজমসহ এককোষী গিমা সৃষ্টি করে। গিমা অনুকূল পরিবেশে অঙ্কুরিত হয়ে নতুন মাইসেলিয়াম গঠন করে। যেমন- Saprolegnia.

৭। রাইজোমর্ফ (Rhizomorph)ঃ ছত্রাকের মাইসেলিয়াম পরস্পর যুক্ত হয়ে স্থুল ও শক্ত রশির মতো অঙ্গ সৃষ্টি করে। একে রাইজোমর্ফ বলে। রাইজোমর্ফ অনুকূল পরিবেশে অংকুরিত হয়ে নতুন মাইসেলিয়াম গঠন করে। যেমন- Agaricus, Alternaria প্রভৃতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *