তাত্ত্বিক প্রয়োজনীয়তা ।। Theoretical necessity ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) জীবজগতের পরিচয় লাভঃ শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে কোন গোষ্ঠীর একটি প্রাণী সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারলে ঐ গোষ্ঠীর সকল প্রাণী সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। অর্থাৎ শ্রেণীবিন্যাস সহজ উপায়ে সব প্রাণীকে জানতে সাহায্য করে।

(ii) প্রাণীজগত সম্পর্কে জানা)ঃ পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ প্রজাতির প্রাণী রয়েছে। শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে অল্প সময়ে এবং কম পরিশ্রমে প্রাণীজগত সম্পর্কে জানা যায়।

(iii) প্রাণী সনাক্তকরণঃ প্রাণীবিজ্ঞানের যে কোন শাখার গবেষণা, শিক্ষা, মানব কল্যাণ প্রভৃতির জন্য প্রাণীদেরকে সঠিকভাবে সনাক্তকরণ প্রয়োজন। শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে  খুব সহজে প্রাণী সনাক্ত করা যায়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(iv) প্রাণী সম্পর্কিত জ্ঞানঃ শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে প্রাণী সম্পর্কিত আমাদের জ্ঞানকে সংক্ষেপে প্রকাশ করা যায়।

(v) প্রাণীর জ্ঞানকে সংক্ষেপে প্রকাশঃ শ্রেণীবিন্যাস প্রাণী সম্পর্কিত জ্ঞানকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।

(vi) নতুন প্রজাতি শনাক্তকরণঃ নতুন প্রজাতি শনাক্তকরণ এবং বিভিন্ন ধাপে স্থাপনের জন্য শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞান অপরিহার্য। শ্রেণীবিন্যাস ব্যতীত নতুন প্রজাতি সনাক্ত করা যায় না।

(vii) সর্বজনীন পরিচয়ঃ প্রাণীর আন্তর্জাতিক সর্বজনীন পরিচিতি প্রদানে শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞান অপরিহার্য।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(viii) প্রাণী আদি-উন্নত নির্ধারণঃ আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস প্রাণী আদি-উন্নত প্রকৃতি নির্ধারণে সাহায্য করে এবং বিবর্তনের ধারা নির্দেশ করে।

(ix) জাতিজনি সম্পর্ক নির্ণয়ঃ শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে প্রাণীর জাতিজনি সম্পর্ক নির্ণয় করা যায়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(x) আন্তর্জাতিক পরিচিতিঃ পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীকে সহজে আন্তর্জাতিক পরিচিতি প্রদানে শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

(xi) ভেষজ প্রাণী শনাক্তকরণঃ ভেষজ প্রাণী শনাক্তকরণে শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞান প্রয়োজন।

(xii) উন্নত জাত উদ্ভাবনঃ কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উন্নত ও রোগ প্রতিরোধী জাতের প্রাণী এবং প্রাণী উদ্ভাবন করা হয়। এক্ষেত্রে শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কিত জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

(xiii) বন্য প্রাণী সংরক্ষণঃ বন্য প্রাণী নিয়ন্ত্রণ ও সংরক্ষণের জন্য শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কিত জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(xiv) অর্থনৈতিক প্রাণী বাছাইঃ শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রানী বাছাই করা যায়।

(xv) কৃত্রিম প্রজননঃ জীবের শ্রেণীবিন্যাসে জিনতাত্তি¡ক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় আনা হয়। শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে নতুন ও উন্নত জাতের পশু-পাখি উদ্ভাবন সহজতর হয়।

(xvi) কৃষি উন্নয়নঃ কৃষি শিক্ষা, প্রাণী স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, কীটপতঙ্গ দমন ও ফসলের উন্নয়নের জন্য শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে জ্ঞান আবশ্যক।

(xvii) পশু পালনঃ হাঁস-মুরগী ও গবাদি পশু প্রতিপালন এবং যতেœর জন্য শ্রেণীবিন্যাস অধ্যায়ন করা প্রয়োজন।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(xviii) খাদ্য শৃঙ্খলঃ শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যম প্রাণীর বিলুপ্তি সম্পর্কে আগাম ধারণা লাভ করা যায়। তাই প্রাণী সংরক্ষণ তথা খাদ্য শৃঙ্খল বজায় রাখতে প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস প্রয়োজন।

(xix) প্রাণীর অবস্থানঃ প্রাণীজগতের যে কোন প্রাণীর অবস্থান জানার জন্য শ্রেণীবিন্যাস প্রয়োজন।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(xx) বিলুপ্ত প্রাণীর পরিচয় লাভঃ অতীত কালের যে সব প্রাণী বিলুপ্ত হয়েছে তাদেরকে জীবাশ্ম হিসেবে পাওয়া যায়। জীবাশ্ম পর্যবেক্ষণ করে শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে তাদের সঠিক পরিচয় লাভ করা যায়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(xxi) পরিবেশ সংরক্ষণঃ শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে যে কোন অঞ্চলের পরিবেশের উপযোগী উদ্ভিদসমুহ নির্বাচন করা যায়।

(xxii) বিবর্তন সম্পর্কে ধারণাঃ শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে জীবের বিবর্তনের ধারা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(xxiii) বিজ্ঞানের নতুন শাখা উন্মেষঃ বিজ্ঞানের নতুন শাখা বিশেষ করে জীবপ্রযুক্তি, জীবভূগোল, জীবপদার্থ প্রভৃতি বিকাশের জন্য শ্রেণীবিন্যাসের জ্ঞান অপরিহার্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *