১। অনুকূল পরিবেশে এই ব্যাকটেরিয়ার বীজ অনেক দিন পর্যন্ত মাটিতে বেঁচে থাকে।
২। ধানের মুথা ও আগাছার মাধ্যমে এই রোগ পরবর্তী ফসলকে আক্রমণ করে। ঘাস এবং বন্য ধানকে বিকল্প পোষক হিসেবে গ্রহণ করে বেঁচে থাকে।
৩। গ্রীষ্মকালে খাল-বিলের পানিতে এই ব্যাকটেরিয়ার বীজ টিকে থাকতে পারে।
৪। গাছের ক্ষত ও হাইডাথোডের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া পোষক দেহে প্রবেশ করে। পরে পাতার শিরায় প্রবেশ করে।
৫। বাতাস ও বৃষ্টির পানির সাহায্যে এই জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে।
৬। জমির পানির মাধ্যমে এই জীবাণু মাঠে বিস্তার লাভ করে।
৭। উচ্চ তাপমাত্রা (২৫-৩০ ডিগ্রী সে.), উচ্চ জলীয় বাষ্প ও বৃষ্টিপাত রোগ সংক্রমণের সহায়ক।
৮। বায়ু প্রবাহ এবং জমিতে নাইট্রোজেনের আধিক্যতায় এ রোগ বিস্তার লাভ করে।