নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ

ভাইরাস অকোষীয় জীবাণু তাই কখনো মারা যায় না। প্রতিষেধকই একমাত্র উত্তম ব্যবস্থা।

(i) রোগী ও সন্দেহভাজন ব্যক্তি থেকে দূরে থাকা।

(ii) জনসমাগম এড়িয়ে চলা। সভা-সমাবেশ ও হাট বাজার থেকে দূরে থাকে।

(iii) অপরিষ্কার হাত দিয়ে নাক, মুখ ও চোখ স্পর্শ না করা।

(iv) কারো সাথে হ্যান্ডশেক ও কোলাকুলি না করা।

(v) গণপরিবহন ও লিফট ব্যবহার না করা।

(vi) পশুপাখির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা।

(vii) রোগাক্রান্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তি থেকে ৩ ফুট দূরে থাকা (অনেকের মতে, ক্ষদ্র ক্ষুদ্র water drop গুলো ৪০ ফুট পর্যন্ত যেতে পারে)।

(viii) নাখ ও মুখে উত্তম মাস্ক ব্যবহার করলে রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা কম থাকে।

(ix) অপরিষ্কার হাত সাবান দিয়ে ভালভাবে ধৌত করা।

(x) রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখতে হবে।

(xi) নাক ও মুখে পানি দিয়ে জোর গতিতে বাতাস বা শ্বাস ত্যাগ করা।

(xii) মাছ, মাংস ও ডিম খুব ভালভাবে রান্না করা এবং কম সিদ্ধ করা খাবার গ্রহণ না করা।

(xiii) ভিটামিন-C যুক্ত ফল খাওয়া। যেমন-কমলা, লেবু, মুসাম্বি, মালটা প্রভৃতি।

(xiv) করোনা রোগীকে আইসোলেশন বা হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে।

(xv) ডিহাইড্রেশন রোধে ডাবের পানি পান করা।

(xvi) নভেল করোনা টিকা বা ভ্যাক্সিন নেওয়া।

(xvii) অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ দিয়ে রোগের অগ্রযাত্রা রোধ করা যায়। ইন্টারফেরন একটি অ্যান্টিভাইরাস ড্রাগ। অনেক উদ্ভিদে অ্যান্টিভাইরাল উপাদান আছে। ইন্টারফেরন ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *