প্রতিটি বায়ুথলী ২টি প্রকোষ্ঠ নিয়ে গঠিত।
১। অগ্রপ্রকোষ্ঠ ও
২। পশ্চাৎ প্রকোষ্ঠ
১। অগ্রপ্রকোষ্ঠ বা ছোট প্রকোষ্ঠঃ বায়ুথলীর ছোট প্রকোষ্ঠকে অগ্রপ্রকোষ্ঠ বলে। ইহা দুই স্তরবিশিষ্ট একটি পাতলা প্রাচীর দ্বারা আবৃত থাকে। বাইরের স্তরকে টিউনিকা এক্সটার্না এবং ভিতরের স্তরকে টিউনিকা ইন্টারনা বলে। টিউনিকা এক্সটার্না যোজক কলা দ্বারা এবং টিউনিকা ইন্টারনা মসৃন পেশি দ্বারা গঠিত। এর অন্তঃপ্রাচীরে লাল বর্ণের একটি গ্যাস গ্রন্থি থাকে। এই গ্যাস গ্রন্থিকে রেটি মিরাবিলি বলে। রেটি মিরাবিলি থেকে নিঃসৃত গ্যাস দ্বারা বায়ুথলী পূর্ণ থাকে। বায়ুথলীতে বিদ্যমান অধিকাংশ গ্যাসই অক্সিজেন। তবে সামান্য পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড এবং নাইট্রোজেন থাকে।
২। পশ্চাৎ প্রকোষ্ঠ বা বড় প্রকোষ্ঠঃ বায়ুথলীর বড় প্রকোষ্ঠকে পশ্চাৎ প্রকোষ্ঠ বলে। ইহা দুই স্তরবিশিষ্ট একটি পাতলা প্রাচীর দ্বারা আবৃত থাকে। বাইরের স্তরকে টিউনিকা এক্সটার্না এবং ভিতরের স্তরকে টিউনিকা ইন্টারনা বলে। টিউনিকা এক্সটার্না যোজক কলা দ্বারা এবং টিউনিকা ইন্টারনা মসৃন পেশি দ্বারা গঠিত। এর অন্তঃপ্রাচীরে লাল বর্ণের একটি গ্যাস গ্রন্থি থাকে। এই গ্যাস গ্রন্থিকে রেটি মিরাবিলি বলে। রেটি মিরাবিলি গ্যাস শোষণ করে।
রুই মাছের বায়ুথলীতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অস্থি থাকে। এই অস্থি গুলোকে ভেবেরিয়ান অস্থিমালা বলে।