A. Jensen এবং F. B. Salisbury (1984) অ্যাবসিসিক মতবাদ প্রবর্তন করেন।
(i) পত্ররন্ধ্র খোলার কৌশলঃ এই মতবাদ অনুসারে, দিনের বেলায় সালোকসংশ্লেষণের কারণে রক্ষীকোষে CO2-এর ঘনত্ব কমে যায়। তাই রক্ষীকোষে K+ প্রবেশ করে। K+ প্রবেশ করায় রক্ষীকোষের ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং অন্তঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় রক্ষীকোষে পানি প্রবেশ করে। রক্ষীকোষ পানি গ্রহণ করে ধনুকের মতো বেঁকে যায় এবং পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।
(ii) পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়ার কৌশলঃ রাতের বেলায় মেসোফিল টিস্যু থেকে রক্ষীকোষে অ্যাবসিসিক এসিড প্রবেশ করে এবং K+ বের হয়ে যায়। এতে রক্ষীকোষের ঘনত্ব কমে যায় এবং বহিঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় রক্ষীকোষ থেকে পানি বেরিয়ে যায়। রক্ষীকোষ পানি হারিয়ে চুপসে যায় এবং পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।