মাইক্রোস্পোরোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় প্রতিটি পরাগরেণু মাতৃকোষ হতে চারটি করে মাইক্রোস্পোর বা পরাগরেণু উৎপন্ন হয়। পরাগরেণু হলো পুংগ্যামিটোফাইটের প্রথম কোষ। ইহা গোলাকার, ডিম্বাকার, লম্বাকার বা ত্রিকোণাকার হতে পারে। প্রতিটি পরাগরেণু দ্বি–স্তর বিশিষ্ট একটি আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে। বাইরেরটিকে এক্সাইন এবং ভিতরেরটিকে ইন্টাইন বলে। এক্সাইন পুরু, শক্ত, অমসৃণ এবং লিগনিন যুক্ত। এর প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো স্পোরোপোলেনিন। এক্সাইনের স্থানে স্থনে পাতলা ছিদ্রের মতো অংশ থাকে। একে জনন ছিদ্র (রেণুরন্ধ্র বা জার্মপোর) বলে। পরাগরেণুতে জার্মপোরের সংখ্যা ৩–৪টি (তবে ২০টি পর্যন্ত থাকতে পারে)। অপরদিকে, ইন্টাইন পাতলা, নরম, মসৃণ, স্থিতিস্থাপক ও সেলুলোজ নির্মিত। পরাগরেণুর সাইটোপ্লাজম ঘন এবং নিউক্লিয়াস কোষের মাঝখানে থাকে। পরিনত অবস্থায় কোষগহŸর সৃষ্টি হলে নিউক্লিয়াস কোষের পরিধির দিকে সরে আসে। প্রতিটি পরাগরেণুর ব্যাস ১০–২০০ µm (অনেকের মতে, ০.০২৫–০.২৫ মিমি)।
[পরাগরেণুতে একটি রেণুরন্ধ্র থাকলে মনোকলপেট এবং অনেকগুলো রেণুরন্ধ্র থাকলে পলিকলপেট বলে]