পোয়েসী গোত্র ।। পোয়েসী গোত্রের সাধারণ বৈশিষ্ট্য ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। স্বরুপঃ উদ্ভিদ বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী বীরুৎ। কখনো বৃক্ষ (বাঁশ)

২। মূলঃ গুচ্ছমূল। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৩। কান্ডঃ কান্ড নলাকার এবং পর্বমধ্য ফাঁপা। কখনো নিরেট (আখ, ভূট্রা) ফাঁপা কান্ডকে তৃণকান্ড (Culm) বলা হয় (ধান, গম, বার্লি, জোয়ার, কাউন, বাঁশ)। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৪। পাতাঃ পাতা সরল, একান্তর, দ্বিসারি, অবৃন্তক, অনুপত্রিক অর্ধকান্ডবেষ্টক। পাতা তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। সীথ, পত্রফলক এবং লিগিউল। পাতার শিরাবিন্যাস সমান্তরাল। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৫। পুষ্পবিন্যাসঃ পুষ্পপত্রবিন্যাস স্পাইকলেট। স্পাইকলেটের গোড়ায় দুইটি শুকনা গ্লুম থাকে। একে শুন্য গ্লুম বলে। গ্লুম এবং শুন্য গ্লুম২। শুন্য গ্লুমের উপরে আরো দুইটি পুষ্পক গ্লুম থাকে। লেমা এবং প্যালিয়া। এদের মধ্যে নিচেরটিকে লেমা (গ্রিক শব্দ lemma অর্থ তুষ) এবং উপরেরটিকে প্যালিয়া (ল্যাটিন শব্দ palea অর্থ তুষ) বলে। প্যালিয়ার উপরে পুষ্প থাকে। লেমাকে ব্রাক্ট এবং প্যালিয়াকে ব্রাক্টিউলের সাথে তুলনা করা যায়।

৬। পুষ্পঃ ঘাস গোত্রের পুষ্পকে পুষ্পিকা বলে। এরা একলিঙ্গ বা উভয়লিঙ্গ। পুষ্প সহবাসী বা ভিন্নবাসী (জিনিয়া)। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৭। পুষ্পপুট (Perianth)ঃ একবীজপত্রী উদ্ভিদের বৃতি দলমন্ডল একত্রে একটি পৃথক অঙ্গ গঠন করে। একে পুষ্পপুট বা পেরিয়েন্থ বলে। ক্ষুদ্র শল্কপত্রের ন্যায় পুষ্পপুটকে লোডিকিউল বলে। সংখ্যায় ইহা ২টি, কদাচিৎ ৩টি অথবা অনুপস্থিত। সুপারি, আমলকী, নারিকেল, লিলি, উলটচন্ডাল, কলাবতী, কলা, রজনীগন্ধা প্রভৃতি উদ্ভিদে পুষ্পপুট থাকে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স ৮। পুংস্তবকঃ পুংকেশর ৩টি, কদাচিৎ ৬টি (বাঁশ, ধান) পরাগধানী দ্বিকোষী, রেখাকার, সর্বমুখ এবং লম্বালম্বি ভাবে বিদীর্ণ হয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

৯। স্ত্রীস্তবকঃ গর্ভাশয় এক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট, গর্ভপত্র ১টি, গর্ভদন্ড ১টি এবং গর্ভমুন্ড ২টি। গর্ভমুন্ড পালকের ন্যায় এবং পার্শ্বীয়। ডিম্বক মূলজ এবং খাড়া।

১০। অমরাবিন্যাসঃ মূলীয়। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

১১। ফলঃ ক্যারিওপসিস। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

১২। বীজঃ সস্যল, ভ্রুণ অতিক্ষুদ্র এবং বীজের এক কোণায় অবস্থিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *