গঠনের উপর ভিত্তি করে প্রোটিন তিন প্রকার।
(i) ফাইব্রাস প্রোটিন (Fibrous protein) ঃ লম্বা ও সমান্তরাল পলিপেপটাইড শিকল বিশিষ্ট প্রোটিনকে ফাইব্রাস প্রোটিন
বলে। যেমন- কোলাজেন, ইলাস্টিন, কেরাটিন, ফাইব্রাইন প্রভৃতি।
(ii) গ্লোবিউলার প্রোটিন (Globular protein এষড়নঁষধৎ ঢ়ৎড়ঃবরহ) ঃ গোলাকৃতির প্রোটিনকে গ্লোবিউলার প্রোটিন বলে। যেমন- সেরাম, গ্লোবিউলিন, ইনসুলিন, মায়োগ্লোবিন, হিমোগ্লোবিন, অ্যালকালাইন ফসফাটেজ, সাইটোক্রোম-সি প্রভৃতি।
(iii) ইন্টারমেডিয়েট প্রোটিন (Intermediate protein) ঃ ফাইবার বা তন্তু আকৃতির প্রোটিনকে ইন্টারমেডিয়েট প্রোটিন বলে। যেমন- ফাইব্রিনোজেন।