বংশগত রোগ নিরাময়, ইনসুলিন প্রয়োগ, ইন্টারফেরনের কৌশল, বৃদ্ধি বা গ্রোথ হরমোন প্রয়োগ, ফুসফুসের এমফাইসেমা প্রতিরোধ, জিন থেরাপি, গর্ভের শিশু পরীক্ষা, মলিকুলার ফার্মিং, হিমোফিলিয়া, বংশগত রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা, হেপাটাইটিস-বি নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির অবদান রয়েছে।