১। খাদ্য ও জৈবশক্তি উৎপাদন।
২। ইথানল, ল্যাকটিক এসিড, অ্যাসিটোন, গিøসারিন, সাইট্রিক এসিড, গ্লুকোনিক এসিড প্রভৃতি উৎপাদন।
৩। ডিটারজেন্ট, চামড়া, টেক্সটাইল ও দুগ্ধশিল্পে ব্যবহার হয়।
৪। বায়োগ্যাস উৎপাদন।
৫। এনজাইম ও হরমোন উৎপাদন।
৬। ইনসুলিন ও ইন্টারফেরন উৎপাদন।