১। প্রারম্ভিক ভাজক টিস্যুঃ প্রারম্ভিক ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের মূল ও কান্ডের শীর্ষদেশের অঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভ করে। ইহা মূল ও কান্ডের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে।
২। প্রাইমারী ভাজক টিস্যুঃ প্রাইমারী ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের ভ্রুণাবস্থায় উৎপত্তি লাভ করে। ইহা আমৃত্যু বিভাজনক্ষম। ইহা মূল, কান্ড ও শাখার অগ্রভাগে অবস্থান করে এবং উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি ঘটায়।
৩। সেকেন্ডারী ভাজক টিস্যুঃ সেকেন্ডরী ভাজক টিস্যু স্থায়ী টিস্যু হতে উৎপত্তি লাভ করে। ইহা উদ্ভিদের গৌণ বৃদ্ধি ঘটায়।
৪। রিব ভাজক টিস্যুঃ রিব ভাজক টিস্যু একটি তলে বিভাজিত হয়। ইহা উদ্ভিদের মজ্জারশ্মি গঠন করে।
৫। প্লেট ভাজক টিস্যুঃ প্লেট ভাজক টিস্যু দুইটি তলে বিভাজিত হয়। ইহা বর্ধিঞ্চু বহিঃত্বক ও পাতা গঠন করে।
৬। মাস ভাজক টিস্যুঃ মাস ভাজক টিস্যু সব তলে বিভাজিত হয়। ইহা অনিয়তভাবে বিন্যস্ত হয়ে ঈবষষ রংষধহফ বা কোষপুঞ্জ গঠন করে। ইহা ভ্রæণ, রেণুথলী, এন্ডোস্পার্ম, কর্টেক্স, মজ্জা ইত্যাদি সৃষ্টি করে।
৭। শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যুঃ শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের মূল ও কান্ডের শীর্ষদেশে অবস্থান করে। ইহা বিভাজিত হয়ে উদ্ভিদকে দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি ঘটায়।
৮। পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যুঃ পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের মূল ও কান্ডের পার্শ্ব বরাবর লম্বালম্বি ভাবে অবস্থান করে। ইহা সেকেন্ডরী বৃদ্ধি ঘটায়। এতে উদ্ভিদের বেড় বা প্রস্থ বৃদ্ধি পায়।
৯। নিবেশিত ভাজক টিস্যুঃ নিবেশিত ভাজক টিস্যু দুইটি স্থায়ী টিস্যুর মাঝখানে অবস্থান করে। ইহা উদ্ভিদের পত্রমূল, পর্বমধ্য, পর্বসন্ধি ও ফুলের বোটা গঠন করে।
১০। প্রোটোডার্মঃ প্রোটোডার্ম উদ্ভিদের এপিডার্মিস ও এপিবেøমা গঠন করে।
১১। প্রোক্যাম্বিয়ামঃ প্রোক্যাম্বিয়াম উদ্ভিদের জাইলেম, ফ্লোয়েম ও ক্যাম্বিয়াম গঠন করে। ইহা পরিবহন টিস্যু বা ভাস্কুলার বান্ডল সৃষ্টি করে। অনেক উদ্ভিদে ইহা পরিচক্র বা পেরিসাইকল গঠন করে।
১২। ভিত্তি ভাজক টিস্যুঃ ভিত্তি ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের কর্টেক্স, মজ্জা ও মজ্জারশ্মি সৃষ্টি করে।