১। মেরুদন্ডী পোষকের (মানুষ) প্রয়োজনীয়তা
(i) নতুন পোষকঃ ম্যালেরিয়া পরজীবীর স্পোরোজয়েট গুলোর জন্য নতুন পোষক হিসেবে মানুষের প্রয়োজন হয়।
(ii) মেরোজয়েট সৃষ্টিঃ মেরুদন্ডী পোষক ছাড়া মেরোজয়েট সৃষ্টি হয় না। তাই মেরোজয়েট সৃষ্টির জন্য মেরুদন্ডী পোষক প্রয়োজন হয়।
(iii) সাইজোগনিঃ মানুষ বা মেরুদন্ডী পোষকে ম্যালেরিয়া পরজীবীর হেপাটিক ও এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি সম্পন্ন হয়।
(iv) সহজ লভ্যতাঃ মেরুদন্ডী পোষক হিসেবে মানুষ সহজেই পাওয়া যায়।
(v) প্রজাতির ধারাবাহিকতাঃ প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য পুরুষ ও স্ত্রীগ্যামিটোফাইটের উৎপাদন প্রয়োজন। মানুষের রক্তে গ্যামিটোফাইট সৃষ্টি হয়। তাই প্রজাতির বিলুপ্তি রোধে মেরুদন্ডী পোষক একান্ত প্রয়োজন।
২। যৌনচক্রের জন্য অমেরুদন্ডী পোষকের (মশকী) প্রয়োজনীয়তা
(i) যৌনচক্রঃ ম্যালেরিয়া পরজীবীর যৌনচক্রের জন্য মশকী প্রয়োজন হয়।
(ii) স্পোরোজয়েটের বাহকঃ যৌনজনন শেষে মশকী স্পোরোজয়েট গুলোকে বহন করে।
(iii) সহজ লভ্যতাঃ অমেরুদন্ডী পোষক হিসেবে মশকী বসতির আশে পাশে সহজেই পাওয়া যায়।
(iv) পুষ্টিদানঃ স্পোরোজয়েট গুলো মশকীর দেহ থেকে পুষ্টি লাভ করে।
(v) জীবনকালঃ ম্যালেরিয়া পরজীবীর যৌনচক্র ঘটার জন্য যে সময় প্রয়োজন মশকী তার চেয়ে বেশি সময় বাঁচে।