(i) যকৃত হলো মানব দেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি।
(ii) ইহা মধ্যচ্ছদার নিচে এবং উদরের উপরে অবস্থিত।
(iii) ইহা দেখতে গাঢ় বাদামী এবং ত্রিকোণাকার।
(iv) প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের যকৃতের ওজন ১৪০০-১৬০০ গ্রাম এবং স্ত্রীলোকের ১২০০-১৪০০ গ্রাম।
(v) যকৃত চারটি অমসৃণ খন্ডে বিভক্ত। ডান খন্ড, বাম খন্ড, কডেট এবং কোয়াড্রেট খন্ড।
(vi) ডান খন্ড সবচেয়ে বড়, বাম খন্ড সবচেয়ে ছোট। ডান খন্ড বাম খন্ডের চেয়ে ছয়গুণ বড়। কডেট ও কোয়াড্রেট খন্ড চৌকোর মতো।
(vii) যকৃত গিøসন ক্যাপসুল নামক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। এই পর্দা যকৃতকে কতক গুলো লোবিওল বা খন্ডকে বিভক্ত করে।
(viii) প্রতিটি লোবিওলে যকৃত কোষ গুলো চাকার স্পোকের মতো বিন্যন্ত থাকে।
(ix) পাশাপাশি অবস্থিত লোবিওলের মাঝখানে যে ফাঁকা স্থান থাকে তাকে সাইনুসয়েড বলে।
(x) প্রতিটি লোবিওলের মাঝে একটি কেন্দ্রীয় শিরা থাকে।
(xi) ডান ও বাম যকৃত নালি মিলে সাধারণ যকৃত/হেপাটিক নালি গঠন করে।
(xii) সাধারণ যকৃত নালি পিত্তাশয় নালির সাথে মিলিত হয়ে অভিন্ন পিত্তনালি গঠন করে। অভিন্ন পিত্তনালি ভ্যাটারের অ্যাম্পুলার মাধ্যমে ডিওডেনামে প্রবেশ করে।
(xiii) যকৃতে প্রায় ৫০০ ধরনের জৈব রাসায়নিক কার্যাবলি সম্পন্ন হয়। তাই যকৃতকে জৈব রসায়নাগার বলা হয়।
(xiv) যকৃত মানবদেহে সঞ্চয়ী ও বিপাকীয় কাজ করে।