১। ফ্যাক্টর-I বা ফাইব্রিনোজেনঃ ফাইব্রিনোজেন হলো গ্লোবিউলিন জাতীয় প্রোটিন। ইহা রক্ত তঞ্চনের সময় ফাইব্রিনে পরিনত হয়।
২। ফ্যাক্টর-II বা প্রোথ্রম্বিনঃ প্রোথ্রম্বিন হলো প্লাজমা প্রোটিন। রক্ত তঞ্চনের সময় ইহা থ্রম্বিনে পরিনত হয়।
৩। ফ্যাক্টর-III বা থ্রম্বোপ্লাস্টিনঃ ভাঙ্গা অণুচক্রিকা থেকে থ্রম্বোপ্লাস্টিন নিঃসৃত হয়। ইহা ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে পরিনত করে।
৪। ফ্যাক্টর-IV বা ক্যালসিয়ামঃ ক্যালসিয়াম আয়ন থ্রম্বোপ্লাস্টিন উৎপাদনে সাহায্য করে। ইহা প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে পরিনত করে।
৫। ফ্যাক্টর-V বা ল্যাবাইলঃ ল্যাবাইল হলো প্লাজমায় অবস্থিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। ইহা প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে পরিনত করে।
৬। ফ্যাক্টর-VI বা অ্যাক্সিলারিনঃ এটি লেবাইল ফ্যাক্টর নামে পরিচিত।
৭। ফ্যাক্টর-VII বা প্রোকনভার্টিনঃ বর্তমানে প্রোকনভার্টিন এর অস্তিক্ত নাই। এটি প্রকল্পিত।
৮। ফ্যাক্টর-VIII বা অ্যান্টিহিমোফিলিকঃ অ্যান্টিহিমোফিলিক হলো প্লাজমায় অবস্থিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। ইহা থ্রম্বোপ্লাস্টিন উৎপাদনে সাহায্য করে।
৯। ফ্যাক্টর-IX বা ক্রিস্টমাসঃ ক্রিস্টমাস হলো প্লাজমায় অবস্থিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। ইহা থ্রম্বোপ্লাস্টিন উৎপাদনে সাহায্য করে।
১০। ফ্যাক্টর-X বা স্টুয়ার্টঃ স্টুয়ার্ট এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়।
১১। ফ্যাক্টর-XI বা প্লাজমা থ্রম্বোপ্লাস্টিনঃ ইহা এক প্রকার প্রোটিন। ইহা থ্রম্বোপ্লাস্টিন গঠনে অংশ নেয়।
১২। ফ্যাক্টর-XII বা হেগম্যানঃ হেগম্যান ক্যালিক্রেইনকে সক্রিয় করে। ইহা প্লাজমাকাইনিন নামক পদার্থ সৃষ্টি করে। প্লাজমাকাইনিন রক্তনালির ভেদ্যতা ও সম্প্রসারণশীলতা বৃদ্ধি করে।
১৩। ফ্যাক্টর-XIII বা স্টেবিলাইজিংঃ স্টেবিলাইজিং ক্যালসিয়াম আয়নের সহযোগিতায় নরম তঞ্চন পিন্ডকে অদ্রবনীয় কঠিন তন্তুতে রুপান্তরিত করে।