(i) অস্ট্রেলিয়ায় ভেড়া পালন একটি উত্তম ব্যবসা। ভেড়াথেকে পশম ও মাংস পাওয়া যায়। ভেড়া ক্লোভার জাতীয় ঘাস খায়। ক্লোভার ঘাসে সালফারের পরিমাণ কম থাকায় পশম উন্নত হয় না। সূর্যমুখী থেকে সালফার উৎপাদনকারী জিন ক্লোভার ঘাসে প্রবেশ করে ক্লোভার ট্রান্সজেনিক ঘাস তৈরী করা হয়েছে। এই ঘাস খেয়ে ভেড়ার সালফারের অভাব পুরণ হয়েছে এবং ভেড়ার পশমের গুণগত মানের উন্নয়ন হয়েছে।
(ii) জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে ট্রান্সজেনিক প্রাণী সৃষ্টি করা হয়। ট্রান্সজেনিক প্রাণীর দুধ, রক্ত ও মূত্র থেকে ওষুধ তৈরী করা হয়।
(iii) ল্যাক্টোফেরিন এনজাইমের অভাবে গরুর বাটে ম্যাস্টাইটিস রোগ হয় এবং দুধের উৎপাদন কমে যায়। ষাঁড় গরুতে ল্যাক্টোফেরিন প্রবেশ করিয়ে ট্রান্সজেনিক ষাঁড় সৃষ্টি করা হয়। এই ট্রান্সজেনিক ষাঁড়ের বংশধর ম্যাস্টাইটিস প্রতিরোধী হয়।
(iv) মানুষের বৃদ্ধি হরমোনের জিন ভেড়ায় প্রবেশ করিয়ে অধিক বৃদ্ধিশীল ভেড়া উৎপাদন করা হয়েছে।
(v) স্যালমন, ট্রাউট ও পোনা মাছে সামুদ্রিক মাছের জিন ঢুকিয়ে অধিক বৃদ্ধিশীল মাছ উদ্ভাবন করা হয়েছে। স্যালমন এর বৃদ্ধি ৩০ গুণ বেশি হয়েছে।
(vi) গাভীতে বোভাইন সোমাটোট্রপিন প্রয়োগ করে দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়েছে।