১। পাথর থেকে মাটি তৈরীঃ লাইকেন থেকে নির্গত CO2 বৃষ্টির পানির সাথে মিশে কার্বনিক এসিড উৎপন্ন করে। কার্বনিক এসিড পাথরকে ক্ষয় করে ছোট ছোট কণায় পরিনত করে। কণা গুলো লাইকেনের মৃত দেহের সাথে মিশে মাটি গঠন করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ লাইকেনের মৃত দেহ মাটিতে হিউমাস গঠন করে। হিউমাস মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং উর্বরতা বাড়ায়।
৩। পরিবেশ বিশুদ্ধকরণঃ লাইকেন সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় CO2 গ্রহণ করে এবং O2 নির্গত করে। ফলে বায়ুমন্ডল বিশুদ্ধ থাকে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। দূষক পদার্থ শোষণঃ লাইকেনের বৃদ্ধির জন্য দূষণ মুক্ত নির্মল বায়ু প্রয়োজন হয়। এরা বায়ু দূষণ সহ্য করতে পারে না। তাই লাইকেন বায়ু থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড, ভারি ধাতু এবং অন্যান্য দূষক শোষণ করে।
৫। নাইট্রোজেন সংবন্ধনঃ লাইকেন গঠনকারী সায়ানোব্যাকটেরিয়া (Nostoc, Anabaena) বায়ুর মুক্ত নাইট্রোজেন গ্রহণ করে NH3, NO3 প্রভৃতিতে পরিনত করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। পরিবেশীয় নির্দেশকঃ লাইকেন পরিবেশের দুষণ নির্দেশক (Indicator) হিসেবে কাজ করে। কোন দুষিত এলাকায় লাইকেন জন্মালে বুঝা যাবে ঐ এলাকায় বায়ু দুষণ হ্রাস পাচ্ছে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৭। পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধিঃ উন্মুক্ত পাহাড় এবং গাছের বাকলে লাইকেন জন্মে তাদেরকে দৃষ্টিনন্দন করে। ফলে পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
৮। প্রাথমিক ক্রমাগমকঃ মরুজ কিংবা পাথুরে স্থানে বনভূমি সৃষ্টিতে লাইকেন প্রাথমিক ক্রমাগমক হিসেবে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। এরা বনভূমি সৃষ্টির সূচনা করে উদ্ভিদ ক্রমাগমনের প্রথম ধাপ গঠন করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৯। অক্সিজেন নির্গমণঃ লাইকেন সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পরিবেশে অক্সিজেন নির্গত করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১০। ইকোসিস্টেমের গতিশীলতাঃ লাইকেন ইকোসিস্টেমের উপাদান। লাইকেনের উপর প্রাণীরা নির্ভরশীল। তাই লাইকেন ইকোসিস্টেমের গতিশীলতায় সহায়তা করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১১। বিনাশী কার্যঃ কাঠ, গাছের গুড়ি, দেয়াল, ছাদ ইত্যাদিতে লাইকেন জন্মে ক্ষয় সাধন করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স