গোল্ডেন বা সোনালী বর্ণের চাউলকে গোল্ডেন বা সুপার রাইস বলা হয়। ২০০০ সালে সুইস ফেডারেল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির বিজ্ঞানী ইনগো পোট্রাইকাস (Ingo Potrykus) এবং জার্মানীর ফ্রিইবার্গ বিশ^বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী পিটার বায়ার (Peter Beyer) যৌথভাবে গোল্ডেন রাইস উদ্ভাবন করেন। তাঁরা ড্যাফোডিল উদ্ভিদ থেকে বিটা ক্যারোটিন উৎপাদনকারী চারটি psy (phytoene synthase) জিন, আয়রন উৎপাদনকারী তিনটি জিন এবং Erwinia uredovora ব্যাকটেরিয়া থেকে crtI (carotene desaturase) জিন নিয়ে Japonica ধানে প্রবেশ করে সুপার রাইস তৈরী করেছেন। এই ধানের ভাত খেলে রাত কানা রোগ হয় না। এ ছাড়া মায়েদের দেহে রক্তশুন্যতাও হয় না। ২০০৫ সালে গোল্ডেন রাইস–২ উদ্ভাবন করা হয়েছে যা থেকে ২৩ গুণ বেশি বিটা ক্যারোটিন পাওয়া যায়। বাংলাদেশসহ এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের ছোট ছেলে মেয়েদের ভিটামিন–এ এর অভাব রয়েছে। ভিটামিন–এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।