হাইড্রার পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা ।। Hydra-র পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা ।। Hydra Regeneration ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

দেহের হারানো বা নষ্ট হয়ে যাওয়া অংশ পুনর্গঠন হওয়াকে পুনরুৎপত্তি বলে। হাইড্রার টটিপটেন্সি ক্ষমতা থাকায় ব্যাপক পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা রয়েছে। সুইস বিজ্ঞানী আব্রাহাম ট্রেমলে (১৭৪৪) সর্বপ্রথম হাইড্রার পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করেন। হাইড্রাকে খন্ড খন্ড করলে প্রতিটি খন্ড হতে একটি করে হাইড্রা সৃষ্টি হয়। মৌখিক প্রান্ত হতে কর্ষিকা হাইপোস্টোম এবং বিমৌখিক প্রান্ত হতে পদচাকতি গঠিত হয়।

১। হাইড্রাকে অনুপ্রস্থ ভাবে কয়েক খন্ড করা হলে প্রতিটি খন্ড থেকে একটি করে পুর্ণাঙ্গ হাইড্রা সৃষ্টি হয়। প্রতিটি খন্ডই মেরুতা বজায় রাখে। অর্থাৎ মৌখিক প্রান্ত থেকে কর্ষিকা হাইপোস্টোম এবং বিমৌখিক প্রান্ত থেকে পাদচাকতি গঠিত হয়।

২। হাইড্রা দেহকে লম্বালম্বি ভাবে দুই ভাগে ভাগ করলে প্রতিটি ভাগ থেকে একটি করে পুর্ণাঙ্গ হাইড্রা সৃষ্টি হয়।

৩। হাইড্রার মাথা লম্বালম্বি ভাবে দুই ভাগে ভাগ করলে প্রতিটি ভাগ থেকে একটি করে মাথা সৃষ্টি হয়।

গ্রিক পুরানে রুপকথার দানব হাইড্রা এর নামানুসারে এই প্রাণীটির নামকরণ করা হয়েছে হাইড্রা। এই দানবের নয়টি মাথা ছিল। শক্তিধর মানব হারকিউলিস দানবের মাথা কেটে ফেললে স্থানে দুটি মাথা গজাতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *