পেশি আবরণী কোষ বহিঃত্বকের সমগ্র অংশ জুড়ে অবস্থান করে। কোষ গুলো দেখতে স্তম্ভাকার। প্রতিটি কোষের বাইরের দিক চওড়া ও মুক্ত এবং ভিতরের দিক বদ্ধ ও সরু। ভিতরের দিকে দুটি পেশি প্রবর্ধক থাকে। একে পেশী লেজও বলা হয়। পেশি লেজের ভিতরে সংকোচনশীল সূত্রক মায়োনিম থাকে। কোষের সাইটোপ্লাজমে একটি নিউক্লিয়াস, মিউকাস বস্তু ও গ্রানিউলার গ্রন্থি থাকে। কর্ষিকার পেশি আবরণী কোষ গুলো বড়, চ্যাপ্টা এবং নিডোসাইট বহন করে। মিউকাস বস্তু হতে মিউসিন এবং গ্রানিউলার গ্রন্থি হতে গ্রানিউল নিঃসৃত হয়। পেশি আবরণী কোষ গুলো পরস্পর যুক্ত হয়ে একটি অবিচ্ছেদ্য আবরণী সৃষ্টি করে।
পেশি আবরণীর কাজ
(i) পেশি আবরণী দেহ আবরণী সৃষ্টি করে দেহকে রক্ষা করে।
(ii) মায়োনিম সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে দেহের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটায়।
(iii) মিউকাস গ্রন্থির নিঃসরণ দেহকে পিচ্ছিল রাখে।
(iv) ইহা নেমাটোসিস্ট বহন করে।
(v) ইহা সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে চলনে সাহায্য করে।
(vi) মিউকাস দানা নিঃসৃত রস কিউটিকল গঠন করে।
(vii) ইহা নিডোব্লাস্ট ধারণ করে।
(viii) দেহকে কোন বস্তুর সাথে আবদ্ধ রাখে।
(ix) মিউকাস দানা সমৃদ্ধ অংশ শ^সনে অংশ নেয়।