১। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া
২। সুষম এবং হৃৎবান্ধব খাবার খাওয়া
৩। শাক-সবজি, ফল ও সালাদ খাওয়া।
৪। স্থুলতা প্রতিরোধ করা
৫। ধুমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করা
৬। খাবারে আলাদা লবণ না খাওয়া
৭। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
৮। নিয়মিত পরিশ্রম করা
৯। প্রচুর বিশ্রাম নেয়া ১০। দেহের অতিরিক্ত পানি ও লবণ বের করে দেওয়া
১০। করোনারী বাইপাস সার্জারী বা এনজিওপ্লাস্ট করা
১১। হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট করা যেতে পারে
১২। ইকোকার্ডিওগ্রাফি, বুকের এক্স-রে, ইলেকট্রোফিজিওলজি, অ্যানজিওগ্রাফি, রক্ত পরীক্ষা করা
১৩। হৃৎপিন্ডের কপাটিকা মেরামত, রিং বসানো, পেসমেকার বসানো।