(i) রোগীর হাঁচি, কাশি, থুথু ও কথা বলার সময় নির্গত জলকণা বা water drop এর মাধ্যমে সুস্থ দেহে প্রবেশ করে।
(ii) বাতাসের ধুলি কণার মাধ্যমে ভাইরাস দেহে প্রবেশ করতে পারে।
(iii) কোন বস্তুর সাথে লেগে থাকা ড্রপলেটের মাধ্যমে অন্য দেহে প্রবেশ করতে পারে।
(iv) ভাইরাস যুক্ত স্থানে হাত লাগলে হাতের মাধ্যমে নাক, মুখ ও চোখে প্রবেশ করতে পারে।
(v) আক্রান্ত ব্যক্তির জামা-কাপড় ও ব্যবহৃত বস্তু থেকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।