মাইটোকন্ড্রিয়া কাকে বলে

মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria)
গ্রীক mitos শব্দ অর্থ সুতা এবং chondrion অর্থ দানা নিয়ে Mitochondria শব্দটি গঠিত। Mitochondria এর অর্থ সুতাকৃতির দানা। সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত শক্তি উৎপাদনকারী অঙ্গাণুকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে। ইহা কোষের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে বলে একে Power House  কোষের শক্তির ঘর বলা হয়।
আবিষ্কার ও নামকরণঃ  ১৮৫০ সালে কলিকার (A.V. Kolliker) অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে মাইটোকন্ড্রিয়া আবিষ্কার করেন। ১৮৮২ সালে ফ্লেমিং (W. Fleming) এর নামকরণ করেন ফিলা (Fila) ১৮৯০ সালে আল্টম্যান (Altma) এর নামকরণ করেন বায়োপ্লাস্ট। ১৮৯৭ সালে কার্ল বেন্ডা (Carl Benda) এর নামকরণ করেন মাইটোকন্ড্রিয়া।
আকৃতিঃ  আকৃতিতে ইহা বৃত্তাকার, দন্ডাকার, সূত্রাকার, তারকাকার বা কুন্ডলী আকার।
আয়তনঃ  কোষের আয়তনের ২০% হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। সাধারণত মাইটোকন্ড্রিয়ার দৈর্ঘ্য ৩-১০ মাইক্রন ্এবং প্রস্থ ০.২-১.০ মাইক্রন হয়ে থাকে। দন্ডাকার মাইটোকন্ড্রিয়ার দৈর্ঘ্য ৯ মাইক্রন এবং প্রস্থ ০.৫ মাইক্রন। সূত্রাকার মাইটোকন্ড্রিয়ার দৈর্ঘ্য ৪০-৭০ মাইক্রন। বৃত্তাকার মাইটোকন্ড্রিয়ার ব্যাস ০.২-২.০ মাইক্রন।
সংখ্যাঃ  প্রতি কোষে গড়ে ৩০০-৪০০টি মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। যকৃত ও বৃক্ক কোষে ১০০০ বা ততোধিক মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। Amoeba-তে আরও বেশি থাকে। স্তন্যপায়ীর লোহিত রক্তকণিকায় মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে না।
উৎপত্তিঃ  কোষ বিভাজনের সময় মাইটোকন্ড্রিয়া বিভাজিত হয়ে নতুন মাইটোকন্ড্রিয়া সৃষ্টি করে।

One thought on “মাইটোকন্ড্রিয়া কাকে বলে”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *