অনেকগুলো অ্যামাইনো এসিড পেপটাইড বন্ধনী দ্বারা যুক্ত হয়ে প্রোটিন গঠন করে। ২০ প্রকার অ্যামাইনো এসিড প্রোটিন গঠনে অংশ গ্রহণ করে। অ্যামাইনো এসিড গুলো যুক্ত হয়ে পলিপেপটাইড শৃঙ্খল গঠন করে। পলিপেপটাইড হলো প্রোটিনের প্রাথমিক গঠন। এক বা একাধিক পলিপেপটাইড শৃঙ্খল মিলে প্রোটিন গঠন করে। পেপটাইড বন্ধনী থাকায় প্রোটিনকে পলিপেপটাইড যৌগ বলা হয়। একটি পলিপেপটাইড শিকলে কমপক্ষে ৫০টি অ্যামাইনো এসিড থাকে। ক্ষুদ্র প্রোটিন ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো এসিড দ্বারা এবং বৃহৎ প্রোটিন টিটিন ৪০,০০০টি অ্যামাইনো এসিড দ্বারা গঠিত। অ্যালবুমিন প্রোটিনে ৫৮২টি অ্যামাইনো এসিড থাকে।
এক পলিপেপটাইড দ্বারা গঠিত প্রোটিন হলো লাইসোজাইম।
দুই পলিপেপটাইড দ্বারা গঠিত প্রোটিন হলো ইনটোগ্রিন।
তিন পলিপেপটাইড দ্বারা গঠিত প্রোটিন হলো কোলাজেন।
চার পলিপেপটাইড দ্বারা গঠিত প্রোটিন হলো হিমোগ্লোবিন।
প্রোটিনের চার ধরনের গঠন দেখা যায়। এগুলো হলো-
১। প্রাথমিক গঠন (Primary structure)ঃ প্রোটিনের প্রাথমিক গঠন চেইন আকৃতির। ইনসুলিন প্রোটিন হলো প্রাথমিক গঠনের।
২। সেকেন্ডারী গঠন (Secondary structure)ঃ প্রোটিনের সেকেন্ডারী গঠন প্যাঁচানো (কয়েলিং) ও ভাঁজ যুক্ত। এতে α-হেলিক্স এবং β-প্লিটেড শিকল থাকে। সিল্ক ও কেরাটিন প্রোটিন হলো সেকেন্ডারী গঠনের।
৩। টারসিয়ারী গঠন (Tertiary structure)ঃ প্রোটিনের টারসিয়ারী গঠন ত্রিমাত্রিক। ফাইব্রিনোজেন প্রোটিন হলো টারসিয়ারী গঠনের।
৪। কোয়াটার্নারি গঠন (Quaternary structure)ঃ দুই বা ততোধিক পলিপেপটাইড শিকল ডাইসালফেট বা হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা যুক্ত হয়ে যে প্রোটিন গঠন করে তাকে কোয়াটার্নারী গঠন বলে। ইহা হলো চতুর্মাত্রিক গঠন। হিমোগ্লোবিন হলো কোয়াটার্নারি প্রোটিন।