বিজারণ ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে কার্বোহাইড্রেটকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো-
(i) রিডিউসিং বা বিজারক শর্করাঃ যে সব কার্বোহাইড্রেটের অ্যালডিহাইড ও কিটোন মূলক মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং ফেহলিং বিকারক, বেনিডিক্ট বিকারক ও বারফোর্ড বিকারকের সাথে বিক্রিয়া ঘটায় তাদেরকে রিডিউসিং বা বিজারক কার্বোহাইড্রেট বলে। সকল মনোস্যাকারাইডই বিজারক শর্করা। কারণ মনোস্যাকারাইডের অ্যালডিহাইড মুলক ((-CHO) অথবা কিটোন মুলক (-CO) মুক্ত অবস্থায় থাকে। যেমন- গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, গ্যালাক্টোজ, গিøসারাল্ডিহাইড, রাইবোজ, জাইলোজ প্রভৃতি।
(ii) নন-রিডিউসিং বা অবিজারক শর্করাঃ যে সব কার্বোহাইড্রেটের অ্যালডিহাইড ও কিটোন মূলক মুক্ত অবস্থায় থাকে না এবং ফেহলিং বিকারক, বেনিডিক্ট বিকারক ও বারফোর্ড বিকারকের সাথে বিক্রিয়া ঘটায় না তাদেরকে নন-রিডিউসিং বা অবিজারক কার্বোহাইড্রেট বলে। যেমন- সুক্রোজ, স্টার্চ, সেলুলোজ, গ্লাইকোজেন, ট্রেহালোজ প্রভৃতি। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স