বায়ুথলীর গুরুত্ব/কাজ/প্রভাব । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। শ্বসনঃ  পটকায় অক্সিজেন থাকে। মাছ এই অক্সিজেনের সাহায্যে শ্বসন ক্রিয়া চালায়।

২। শব্দ উৎপাদনঃ পটকা শব্দ উৎপাদনে সাহায্য করে। বাতাস পটকার ব্যবধায়ক প্রাচীরে বাঁধা পেলে কম্পনের সৃষ্টি হয়।

৩। প্রতিধ্বনী সৃষ্টিঃ পটকায় শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। এই শব্দ তরঙ্গ ভেবেরিয়ান অস্থির মাধ্যমে অন্তঃকর্ণে পৌছে।

৪। ভেসে থাকাঃ পটকায় বায়ু জমা থাকে বলে মাছকে পানিতে ভাঁসতে সাহায্য করে।

৫। আপেক্ষিক গুরুত্ব নিয়ন্ত্রণঃ পটকা দেহের ভিতরে গ্যাসের পরিমাণ বাড়িয়ে বা কমিয়ে আপেক্ষিক গুরুত্ব নিয়ন্ত্রণ করে।

৬। শ্রবণঃ পটকা মাছকে শ্রবণে সাহায্য করে।

৭। মধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র রক্ষাঃ বায়ু থলীর এক পাশের গ্যাস অন্য পাশে স্থানান্তরিত হয়ে পানিতে দেহের মধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র রক্ষা করে।

৮। অভিযোজনঃ পানির যে কোন গভীরতায় বায়ুথলীর আকার পরিবর্তিত হয়ে পরিবেশ উপযোগী হয়।  ফলে মাছ যে কোন গভীরতায় সক্রিয়ভাবে সাঁতার কাটে এবং অভিযোজিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *