১। রক্ত জমাট বাঁধাঃ অণুচক্রিকা ক্ষতস্থানে রক্ত তঞ্চন ঘটায় এবং হিমোস্ট্যাটিক প্লাগ গঠন করে রক্ত ক্ষরণ বন্ধ করে।
২। রক্ত নালির সংকোচনঃ ইহা সেরোটেনিন উৎপন্ন করে যা রক্ত নালির সংকোচন ঘটায়।
৩। জীবাণু ধ্বংসঃ এরা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় কার্বন কণা ও ভাইরাস ভক্ষণ করে।
৪। পুনর্গঠনঃ ইহা রক্ত নালিকার আবরণীকে মেরামত করে পুনর্গঠন করে।
৫। প্রোটিন ধারণঃ এদের আবরণী ভাঁজযুক্ত যা কোলাজেন ও ফাইব্রিনোজেন প্রোটিন ধারণ করে।
৬। এনজাইম সৃষ্টিঃ এরা সহজেই ভেঙ্গে যায় এবং রক্ত তঞ্চনের জন্য থ্রম্বোকাইনেজ এনজাইম সৃষ্টি করে।
৭। ক্লটিং ফ্যাক্টর ক্ষরণঃ অণুচক্রিকা ক্লটিং ফ্যাক্টর ক্ষরণ করে। ইহা রক্ত জমাট বাঁধা ত্বরান্বিত করে।
৮। গ্রোথ ফ্যাক্টর ক্ষরণঃ অণুচক্রিকা গ্রোথ ফ্যাক্টর ক্ষরণ করে। ইহা এন্ডোথেলিয়ামের অন্তঃপ্রাচীরকে সুরক্ষা করে।
৯। রক্ত জমাট বিগলনঃ প্রয়োজন শেষে রক্ত জমাট বিগলনে সাহায্য করে।
১০। হৃৎরোগ সৃষ্টিঃ স্বাভাবিকের চেয়ে অণুচক্রিকার সংখ্যা বেশি থাকলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক হতে পারে।