দাদ হলো ছোয়াচে রোগ। অতি সহজেই একদেহ থেকে অন্য দেহে বিস্তার লাভ করে। অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন শরীর, ঘামে ভেজা শরীর, দীর্ঘ সময় ভেজা শরীর, ত্বকে ক্ষতস্থান থাকলে সহজে রোগাক্রান্ত হয়। দাদ রোগে ছোট ছেলে-মেয়েরা বেশি আক্রান্ত হয়। এতিমখানা, হেফজখানা, হাসপাতাল অথবা অল্প জায়গায় অধিক সংখ্যক ছেলে বা মেয়ে বসবাস করলে সেখানে রোগটি দ্রæত বিস্তার লাভ করে। রোগীর গামছা, লুঙ্গি, প্যান্ট, শার্ট, চিরুনী, তোয়ালে, চাদর, বিছানা, থালা-বাসন প্রভৃতি দ্বারা রোগ ছড়িয়ে পড়ে। পোষা প্রাণী দ্বারা রোগ ছড়ায়। উঞ্চু ও ভেজা স্থানে জীবাণুর সংক্রমণ বেশি হয়। জীবাণুর সুপ্তিকাল ৩-৫ দিন। রোগ সংক্রমণের ৩-৫ দিন পর লক্ষণ প্রকাশ পায়। দেহের যেকোন স্থানে দাদরোগ হতে পারে। মুখমন্ডল ও হাতে রোগ লক্ষণ অধিক দেখা যায়। মাথার খুলিতে মারাত্বক হয়। উরু ও নখও আক্রান্ত হয়। উঞ্চ আর্দ্র পরিবেশে রোগটি দ্রæত বিস্তার লাভ করে।