Pteris-এর স্পোরোফাইট মূল, কান্ড ও পাতায় বিভক্ত। স্পোরোফাইট এর গঠন আলোচনা করা হলো।
১। মূল (Root)ঃ কান্ডের নিম্নতল হতে সরু, সুত্রাকার, শাখান্বিত, বর্ণহীন ও বহুকোষী মূল উৎপন্ন হয়। ইহা অস্থানিক এবং গুচ্ছাকারে অবস্থান করে। মূল উদ্ভিদকে মাটির সাথে আটকে রাখে এবং পানি ও খনিজ লবণ পরিশোষণ করে।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
২। কান্ড (Steam)ঃ Pteris-এর কান্ড রাইজোম জাতীয়। রাইজোম ছোট, শক্ত, দৃঢ়, শায়িত, শাখা-প্রশাখাবিহীন ও বর্ণহীন। এর বৃদ্ধি অনির্দিষ্ট এবং বহুবর্ষজীবী। ইহা মাটির কয়েক সেন্টিমিটার গভীরে অবস্থান করে। কান্ড অসংখ্য বাদামী বর্ণের শল্কপত্র দ্বারা আবৃত থাকে। এই শল্কপত্র গুলোকে র্যামেন্টাম বলে। র্যামেন্টাম গুলো প্রথমে সবুজ থাকে, পরে পিঙ্গল বর্ণে রুপান্তরিত হয়।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
৩। পাতা (Leaf)ঃ ফার্নের পাতাকে ফ্রন্ড বলে। Pteris-এর পাতা সচূড় পক্ষল যৌগিক। যৌগিক পাতার প্রত্যেক খন্ডকে পত্রক বা পিনা বলে। প্রতিটি পাতায় একটি করে র্যাকিস থাকে। পত্রক গুলো র্যাকিসের উভয় পাশে জোড়ায় জোড়ায় সজ্জিত থাকে। প্রতিটি পত্রক সরু, লম্বা, অবৃন্তক, ব¬ল্লমাকার এবং কিনারা মসৃণ। শীর্ষক পিনা সর্বাধিক লম্বা। পত্রকের নিচের দিকে কিনারা বরাবর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্পোরাঞ্জিয়া থাকে। স্পোরাঞ্জিয়া গুলো মিলে সোরাস (বীজগুটি পাতা) গঠন করে। প্রতিটি সোরাস একটি ফলস্ ইন্ডুসিয়াম দ্বারা ঢাকা থাকে। সোরাস বহনকারী পাতাকে স্পোরোফিল বলে। অনেক গুলো সোরাই একত্রে মিলে সিনোসোরাস গঠন করে। ফার্নের কচি পাতাকে ক্রোজিয়ার বলে। পাতা কচি অবস্থায় কুকুরের লেজের মতো কুন্ডলী পাঁকানো থাকে। এই অবস্থাকে সারসিনেট ভারনেশন বলে। পাতা সবুজ হওয়ায় সালোকসংশ্লে¬ষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরী করে।ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স