১। ক্রেব্স চক্র হলো শক্তি উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র। এই শক্তি বিভিন্ন ধরনের বিপাকীয় কাজ- খনিজ লবণ শোষণ, পানি শোষণ, পরিবহন, চলন, বৃদ্ধি, পুষ্পায়ন প্রভৃতিতে ব্যবহার হয়।
২। এই চক্রে উৎপন্ন α-কিটোগ্লুটারিক এসিড ও অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড নাইট্রোজেন বিপাকে সাহায্য করে।
৩। এই প্রক্রিয়া অ্যামাইনো এসিড উৎপাদনের সাথে জড়িত।
৪। এ চক্রে উৎপন্ন বিভিন্ন ধরনের জৈব এসিড বিপাক কাজে ব্যবহার হয়।
৫। এই চক্রে সাকসিনিল কো-এ উৎপন্ন হয়। সাকসিনিল কো-এ হলো ক্লোরোফিল, সাইটোক্রোম, হিমোগ্লোবিন, ফাইকোবিলিন প্রভৃতি তৈরীর অন্যতম উপাদান।
৬। এই চক্রের মাধ্যমে জীব CO2 নির্গত করে।
৭। প্রতি অণু গ্লুকোজ জারিত হয়ে ২৪টি ATP উৎপন্ন করে।
৮। অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড হতে পাইরিমিডিন ও অ্যালকালয়েড তৈরী করা হয়।
৯। ক্রেবস চক্রের মাধ্যমে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাটি এসিড এবং অ্যামাইনো এসিডের জারণ ঘটে।
১০। বিজারিত কো-এনজাইম NADH+H+ ও FADH2 ক্রেবস চক্রের মাধ্যমে সংশ্লেষিত হয়।
১১। এই চক্রটি শর্করা বিপাকের সাথে নাইট্রোজেন বিপাকের সংযোগ ঘটায়।
১২। এই চক্রে উপচিতি এবং অপচিতি উভয় ক্রিয়া ঘটে বলে একে অ্যাম্ফিবোলিক পথ বলা হয়।
১৩। এই চক্রটি গ্লাইঅক্সিলেট চক্রের সঙ্গে যোগসূত্র রচনা করে।