হ্যাভারসিয়ান ক্যানেল, ল্যামেলী, ল্যাকুনা এবং ক্যানালিকুলিকে একত্রে হ্যাভারসিয়ানতন্ত্র বা অস্টিয়ন বলে। নিরেট অস্থি বা অস্টিয়নের গঠন নিচে বর্ণনা করা হলো–
১। হ্যাভারসিয়ান নালীঃ অস্থির কেন্দ্রে যে নালি থাকে তাকে হ্যাভারসিয়ান নালী বলে। এতে শিরা, ধমনী ও লসিকানালী থাকে। হ্যাভারসিয়ান নালী গুলো ভকম্যান্স নালী দ্বারা পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
২। ল্যামেলীঃ হ্যাভারসিয়ান নালির চারিদিকে ৫–১৫টি স্তর থাকে। প্রতিটি স্তরকে ল্যামেলী বলে। এতে ক্যালসিয়াম, ফসফোরাস ও কোলজেন থাকে।
৩। ল্যাকুনাঃ প্রতিটি ল্যামেলায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কতক গুলো গহ্বর থাকে। প্রতিটি গহ্বরকে ল্যাকুনা বলে। প্রতিটি ল্যাকুনায় অস্থিকোষ অস্টিওসাইট বা অস্টিওব্লাস্ট বা অস্টিওক্লাস্ট থাকে।
৪। ক্যানালিকুলিঃ প্রতিটি ল্যাকুনার চারিদিকে কতক গুলো সুক্ষ্ম নালিকা থাকে। এই নালিকা গুলোকে ক্যানালিকুলি বলে। ক্যানালিকুলি দ্বারা ল্যাকুনা গুলো পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। ইহা পুষ্টি ও বর্জ্য পদার্থ পরিবহন করে।
৫। মজ্জা গহ্বরঃ অস্থির কেন্দ্রে যে গহ্বর থাকে তাকে মজ্জা গহŸর বলে। ইহা লাল বা হলুদ মজ্জা দ্বারা পূর্ণ থাকে