Author: Dr. Abu Bakkar Siddiq
এনজাইমের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য । Enzyme । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
ভৌত বৈশিষ্ট্য । এনজাইমের ভৌত বৈশিষ্ট্য । Enzyme । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
এনজাইমের আবিষ্কার
এনজাইম কী । উৎসেচক কাকে বলে। Enzyme । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
ধান সম্পর্কে আলোচনা
বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান। দেশে ৪ প্রকার ধান চাষ করা হয়। আউশ, আমন, বোরো ও ইরি। আবাদী জমির ৭০% ধান চাষে ব্যবহার হয়। চালে কার্বোহাইড্রেট ৮০%, প্রোটিন ৭.১% এবং চর্বি ০.৬৬%। সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় ময়মনসিংহে।
ধানের উফশী জাতের বৈশিষ্ট্যঃ গাছ খাটো ও হেলেপড়ে না, গাছের গোড়া মজবুত ও পাতা খাড়া থাকে, ধান পাঁকলেও গাছ সবুজ থাকে, খড়ের চেয়ে ধানের উৎপাদন বেশি, অধিক কুশি গজায়।
ধানের উফশী জাতঃ সোনার বাংলা–১, সুপার রাইস, হাইব্রিড হিরা, ইরাটম, ব্রিশাইল, চান্দিনা, মালা, শাহী বালাম, শ্রাবনী, মুক্তা, গাজী, আশা, মোহিনী, বিপ্লব, সুফলা, প্রগতি, ময়না, হাসি, শহজালাল, মঙ্গল, দুলাভোগ, ব্রিবালাম, পূর্বাচী, নিয়মত। জুমচাষ হয় পাহাড়ী এলাকায়।
ধানের রোগ ভাইরাস–টুংরো। ব্যাকটেরিয়া–লিফ ব্লাইট, কান্ড পচা। কৃমি–উফরা। মাজরা, চুঙ্গি, থ্রিপস, বিপিএইচ পোকা, গান্ধী পোকা।
বঙ্গবন্ধু ধান ১০০’ এর ফলন হেক্টর প্রতি ৭.৭–৮.৮ টন। এর জীবনকাল ১৪৮ দিন। এতে শর্করা ২৬.৮% এবং প্রোটিন ৭.৮%।
ব্রি ধান–১০৫ কম গ্লাইকোসেমিক ইনডেক্স বলে একে ডায়াবেটিক ধান বলে। ব্রি ধান ১০৬ হলো অলবণাক্ত ধান এবং জোয়ার ভাটা অঞ্চলের জন্য উপযুক্ত। বাংলামতি হলো সুগন্ধি ধান। আলোক ৬২০১ জাতটি ভারত থেকে ব্র্যাক আমদানী করেছে।
ধান উৎপাদনে পৃথিবীতে ১ম চীন, ২য় ভারত, ৩য় বাংলাদেশ এবং ৪র্থ ইন্দোনেশিয়া এবং ৫ম ভিয়েতনাম। ধান/চাল রপ্তানিতে শীর্ষদেশ থাইল্যান্ড। ২০১৫ সালে চাল রপ্তানিতে শর্ষ দেশ ভারত। ধান আমদানীতে শীর্ষ দেশ চীন।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানঃ আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ওজজও) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে, ম্যানিলা, ফিলিপাইন। ‘বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে, জয়দেবপুর, গাজীপুর। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৬ সালে, জয়দেবপুর, গাজীপুর। ইন্দোনেশিয়ার পেটা ধান এবং তাইওয়ানের ডিজি উজেন ধানের মধ্যে নিষেক ঘটিয়ে ইরি–৮ ধান উদ্ভাবন করা হয়। ইন্দোনেশিয়ার পেটা ধান, ভারতের টিকেএম–৬ ধান এবং তাইওয়ানের টাইচু–১ ধানের মধ্যে কৃত্রিম প্রজনন ঘটিয়ে ইরিশাইল ধান উদ্ভাবন করা হয়েছে।
বায়োলজি প্রথম পত্র, ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
Dr. Siddiq Publications । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
Dr. Siddiq Publications । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স । Bangladesh
পারঅক্সিজোম কী ? এর কাজ/গুরুত্ব
পারঅক্সিজোম (Peroxisome)
আবরণী বেষ্টিত অতি ক্ষুদ্র, দানাদার, স্বপ্রজননক্ষম ও এনজাইমপূর্ণ অঙ্গাণুকে পারঅক্সিজোম বলে। এদেরকে মাইক্রোসোম নামেও অভিহিত করা হয়। এর ব্যাস ০.২-১৭ মিলিমাইক্রন। এতে ক্রিস্টাল ও দানা আকৃতির এনজাইম থাকে। এর প্রধান এনজাইম হলো catalase, D-amino acid oxidase এবং uric acid oxidase । ইহা বিটা-অক্সিডেশন প্রক্রিয়ায় ফ্যাটি এসিডকে ভেঙ্গে অ্যাসিটাইল কো-এ উৎপন্ন করে। যে সব অঙ্গাণু বিটা-অক্সিডেশন ঘটায় তাদেরকে গ্লাইঅক্সিজোম বলে। ১৯৬৭ সালে বেলজিয়াম সাইকোলজিস্ট Christian de Duve ইহা আবিষ্কার করেন।
পারঅক্সিজোমের কাজ/গুরুত্ব
১। ইহা বিটা-অক্সিডেশন ঘটায়।
২। এতে বিদ্যমাণ এনজাইম H2 ও O2 এর বিক্রিয়া ঘটিয়ে বিষাক্ত H2 O2 উৎপন্ন করে।
৩। Catalase এনজাইম বিষাক্ত H2 O2-কে ভেঙ্গে পানি ও অক্সিজেন উৎপন্ন করে।
৪। Catalase এনজাইম H2 O2-কে ব্যবহার করে অ্যালকোহল, ফেনল, ফরমিক এসিড, ফরমালডিহাইড প্রভৃতিকে জারিত করে।
৫। ইহা পারঅক্সিডেশন বিক্রিয়া ঘটিয়ে মানুষের যকৃত ও বৃক্কের রক্তের বিষাক্ত পদার্থকে নষ্ট করে।
৬। উদ্ভিদ কোষে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেটিভ এনজাইম (superoxide dismutase, NADP dehydrogenase) থাকে যা গুরুত্বপূর্ণ বিক্রিয়া ঘটায়
৭। ইহা কোষে অক্সিজেনের ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ করে।
৮। ইহা NAD, DNA ও RNA উৎপাদনে সাহায্য করে।
ইন্টারমিডিয়েট ফিলমেরন্টর সংজ্ঞা গঠন ও কাজ/গুরুত্ব
ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট (Intermediate filaments)
কোষের মাইক্রোটিউবিউলস্ ও মাইক্রোফিলামেন্ট এর মধ্যবর্তী এক ধরণের তন্তু হলো ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট। এদের ব্যাস ১০ ন্যানোমিটার। ইহা প্রোটিন নির্মিত। কোষে চার ধরণের ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট থাকে। যথা- কেরাটিন, ভাইমেন্টিন, ল্যামিন ও নিউরোফিলামেন্ট।
ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট এর কাজ/গুরুত্ব
১। কোষের আকৃতি দান করে।
১। কোষের দৃঢ়তা প্রদান করে।
১। কোষের অন্যান্য তন্তুকে নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে সাহায্য করে।