ইউরোকর্ডাটার শ্রেণীবিভাগ ।। Urochordata Classification ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

ইউরোকর্ডাটা তিনটি শ্রেণীতে বিভক্ত। শ্রেণীগুলো হলো- অ্যাসিডিয়াসিয়া, লার্ভাসিয়া এবং থ্যালিয়াসিয়া।

১। অ্যাসিডিয়াসিয়া (Ascidiacea)ঃ অ্যাসিডিয়াসিয়া শ্রেণীর প্রজাতি সংখ্যা ২,৮৬০।

(i) এরা উজ্জ্বল রঙের সামুদ্রিক প্রাণী। দেহের আকৃতি নলাকার বা  থলীর মতো।

(ii) এরা একক বা উপনিবেশক, স্থির বা মুক্ত সন্তরণশীল টিউনিকেটস। কলোনীর সদস্যরা পরস্পর স্টোলন দ্বারা যুক্ত থাকে।

(iii) এরা অ্যাসিডিয়ান, টিউনিকেটস এবং সামুদ্রিক স্কুইটস নামে পরিচিত।

(iv) এদেরকে সমুদ্রের ফোয়ারা বলা হয়।

(v) দেহ নরম এবং চামড়ার ন্যায় টিউনিক দ্বারা আবৃত থাকে।

(vi) দেহের মুক্ত প্রান্তে বহির্বাহী এবং অন্তর্বাহী সাইফন থাকে।

(vii) অসংখ্য গলবিলীয় ফুলকারন্ধ্র থাকে। পৌষ্টিকনালি ট আকৃতির।

(viii) পরিনত প্রাণীতে লেজ থাকে না।

(ix) পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় নটোকর্র্ড বিলুপ্ত হয়ে যায়। এরা অগভীর জলে বাস করে।

উদাহরণঃ Ascidia mentula, Molgula oculata, Ciona intestinalis, Herdmania momus.

২। লার্ভাসিয়া (Larvacea)ঃ লার্ভাসিয়া শ্রেণীর প্রজাতি সংখ্যা ৭০।

(i) এরা ক্ষুদ্রাকার, লম্বাটে এবং অনেকটা বাঁকা ব্যাঙাচি আকৃতির প্রাণী।

(ii) পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে লেজ এবং নটোকর্ড থাকে। লেজ পাতলা ও চ্যাপ্টা।

(iii) পানির উপরে পেলাজিক প্রাণী এবং তলদেশে বেনথিক প্রাণী বাস করে।

(iv) এদের লেজে নটোকর্ড, পৃষ্ঠীয় নার্ভকর্ড এবং একসারি পেশি থাকে।

(v) এদের গলবিলীয় দুইটি ফুলকা ছিদ্র থাকে। তবে এট্রিওপোর থাকে না।

(vi) দেহের আবরণী পাতলা, স্বচ্ছ এবং অস্থায়ী।

(vii) দেহে সাইফন অনুপস্থিত।

(viii) জীবনচক্রে ট্যাডপোল লার্ভা দেখা যায়।

উদাহরণঃ Oikopleura dioica, Bathochordaeus stygius, Appendicularia sicula.

 

৩। থ্যালিয়াসিয়া (Thaliacea)ঃ থ্যালিয়াসিয়া শ্রেণীর প্রজাতি সংখ্যা ৭০।

(i) এরা একক বা উপনিবেশিক এবং মুক্ত ভাসমান টিউনিকেট।

(ii) এদের দেহ লেবু বা পিপা আকৃতির। পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় দেহে লেজ থাকে না।

(iii) এদের দেহে পাতলা এবং স্বচ্ছ টিউনিক দ্বারা আবৃত থাকে।

(iv) দেহ প্রাচীরে বৃত্তাকার পেশি বলয় থাকে।

(v) মুখছিদ্র এবং অ্যাট্রিওপোর বিপরীত প্রান্তে উপস্থিত।

(vi) দেহের এক প্রান্তে বহির্বাহী সাইফন এবং অন্য প্রান্তে অন্তর্বাহী সাইফন থাকে।

(vii) অনেকের দেহে আলোক বিচ্ছুরণকারী লুমিনাস অঙ্গ থাকে। লুমিনাস অঙ্গ রাতের বেলা উজ্জ্বল আলো ছড়ায়।

(viii) এদের মধ্যে বহুরুপতা দেখা যায়। লেজ থাকে না।

উদাহরণঃ Doliolum rarum, Salpa maxima, Pyrosoma atlanticum.

থ্যালিয়াসিয়ার বৈশিষ্ট্য ।। Thaliacea ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

থ্যালিয়াসিয়া শ্রেণীর প্রজাতি সংখ্যা ৭০।

(i) এরা একক বা উপনিবেশিক এবং মুক্ত ভাসমান টিউনিকেট।

(ii) এদের দেহ লেবু বা পিপা আকৃতির। পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় দেহে লেজ থাকে না।

(iii) এদের দেহে পাতলা এবং স্বচ্ছ টিউনিক দ্বারা আবৃত থাকে।

(iv) দেহ প্রাচীরে বৃত্তাকার পেশি বলয় থাকে।

(v) মুখছিদ্র এবং অ্যাট্রিওপোর বিপরীত প্রান্তে উপস্থিত।

(vi) দেহের এক প্রান্তে বহির্বাহী সাইফন এবং অন্য প্রান্তে অন্তর্বাহী সাইফন থাকে।

(vii) অনেকের দেহে আলোক বিচ্ছুরণকারী লুমিনাস অঙ্গ থাকে। লুমিনাস অঙ্গ রাতের বেলা উজ্জ্বল আলো ছড়ায়।

(viii) এদের মধ্যে বহুরুপতা দেখা যায়। লেজ থাকে না।

উদাহরণঃ Doliolum rarum, Salpa maxima, Pyrosoma atlanticum.

লার্ভাসিয়ার বৈশিষ্ট্য ।। Larvacea ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

লার্ভাসিয়া শ্রেণীর প্রজাতি সংখ্যা ৭০।

(i) এরা ক্ষুদ্রাকার, লম্বাটে এবং অনেকটা বাঁকা ব্যাঙাচি আকৃতির প্রাণী।

(ii) পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে লেজ এবং নটোকর্ড থাকে। লেজ পাতলা ও চ্যাপ্টা।

(iii) পানির উপরে পেলাজিক প্রাণী এবং তলদেশে বেনথিক প্রাণী বাস করে।

(iv) এদের লেজে নটোকর্ড, পৃষ্ঠীয় নার্ভকর্ড এবং একসারি পেশি থাকে।

(v) এদের গলবিলীয় দুইটি ফুলকা ছিদ্র থাকে। তবে এট্রিওপোর থাকে না।

(vi) দেহের আবরণী পাতলা, স্বচ্ছ এবং অস্থায়ী।

(vii) দেহে সাইফন অনুপস্থিত।

(viii) জীবনচক্রে ট্যাডপোল লার্ভা দেখা যায়।

উদাহরণঃ Oikopleura dioica, Bathochordaeus stygius, Appendicularia sicula.

অ্যাসিডিয়াসিয়ার বৈশিষ্ট্য ।। Ascidiacea ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

অ্যাসিডিয়াসিয়া শ্রেণীর প্রজাতি সংখ্যা ২,৮৬০।

(i) এরা উজ্জ্বল রঙের সামুদ্রিক প্রাণী। দেহের আকৃতি নলাকার বা  থলীর মতো।

(ii) এরা একক বা উপনিবেশক, স্থির বা মুক্ত সন্তরণশীল টিউনিকেটস। কলোনীর সদস্যরা পরস্পর স্টোলন দ্বারা যুক্ত থাকে।

(iii) এরা অ্যাসিডিয়ান, টিউনিকেটস এবং সামুদ্রিক স্কুইটস নামে পরিচিত।

(iv) এদেরকে সমুদ্রের ফোয়ারা বলা হয়।

(v) দেহ নরম এবং চামড়ার ন্যায় টিউনিক দ্বারা আবৃত থাকে।

(vi) দেহের মুক্ত প্রান্তে বহির্বাহী এবং অন্তর্বাহী সাইফন থাকে।

(vii) অসংখ্য গলবিলীয় ফুলকারন্ধ্র থাকে। পৌষ্টিকনালি ট আকৃতির।

(viii) পরিনত প্রাণীতে লেজ থাকে না।

(ix) পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় নটোকর্র্ড বিলুপ্ত হয়ে যায়। এরা অগভীর জলে বাস করে।

উদাহরণঃ Ascidia mentula, Molgula oculata, Ciona intestinalis, Herdmania momus.

ইউরোকর্ডাটার বৈশিষ্ট্য ।। Urochordata ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

ইউরোকর্ডাটার বৈশিষ্ট্য

১। পরিনত প্রাণীতে নর্টোকর্ড থাকে না। লার্ভা দশায় নটোকর্ড থাকে (লেজ অংশে)।

২। টিউনিক বা টেস্ট দ্বারা দেহ আবৃত থাকে। টিউনিসিন নামক সেলুলোজ দ্বারা টিউনিক গঠিত।

৩। পরিনত প্রাণী মাথায় অবস্থিত আঠালো গ্রন্থি দ্বারা নিমজ্জিত বস্তুর সাথে আটকে থাকে। অর্থাৎ নিশ্চল জীবন-যাপন করে।

৪। এরা সামুদ্রিক এবং একক বা কলোনী গঠন করে বাস করে।

৫। কিছু প্রাণী সাইফন দিয়ে সজোরে পানি উৎসারিত করে বলে এদেরকে সামুদ্রিক ফোয়ারা বা টিউনিকেট বলে।

৬। লার্ভা দশায় নটোকর্ড, নার্ভকর্ড ও ফুলকারন্ধ্র থাকে। লার্ভা হলো মুক্ত বা সচল দশা।

৭। গলবিল বৃহৎ থলির মতো।

৮। এদের দেহে ডাইডেমনিন নামক রাসায়নিক পদার্থ থাকে। ডাইডেমনিন ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহার হয়।

৯। রক্ত সংবহনতন্ত্র মুক্ত, হৃৎচক্র রিভার্স পেরিস্ট্যালসিস (রক্ত প্রবাহ প্রতিবার গতিপথ উল্টা দিকে পরিবর্তন করে)।

১০। এরা উভলিঙ্গ প্রাণী। জীবনচক্রে ট্যাডপোল লার্ভা বিদ্যমান।

১১। লার্ভার প্রতীপ বা রেট্রোগ্রেসিভ মেটামরফোসিস রুপান্তর ঘটে। অর্থাৎ উন্নত বৈশিষ্ট্য হারিয়ে অনুন্নত বৈশিষ্ট্য অর্জন করে।

[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ নটোকর্ড, টিউনিক, টেস্টা, ফোয়ারা, নার্ভকর্ড, ফুলকারন্ধ্র, গলবিলীয় থলী, ডাইডেমনিন, রিভার্স পেরিস্ট্যালসিস, ট্যাডপোল, রেট্রোগ্রাসিভ মেটামরফোসিস]

ইউরোকর্ডাটা কী ।। Urochordata ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

গ্রীক শব্দ Oura অর্থ tail বা লেজ এবং chorda অর্থ chord বা রজ্জু নিয়ে Urochordata শব্দটি গঠিত। যে সকল প্রাণীর লার্ভা দশায় লেজে নটোকর্ড থাকে এবং দেহ টেস্ট বা টিউনিক দ্বারা আবৃত থাকে তাদেরকে ইউরোকর্ডাটা বলে। এরা হলো লেজ কর্ডাটা। এদেরকে সাধারণত টিউনিকেটস বলা হয়। এদের দেহ টিউনিক বা টেস্টা নামক সেলুলোজ দ্বারা আবৃত থাকে বলে এরুপ নামকরণ করা হয়েছে। এই উপপর্বের কিছু প্রজাতির প্রাণী সাইফন দিয়ে সজোরে পানি উৎসারিত করে বলে এদেরকে সাগর ফোয়ারা  নামে ডাকা হয়। টিউনিকেটরা সাসপেনশন ফিডারকে (ক্ষুদ্র খাদ্য) খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। বিজ্ঞানী Lamarck এদের নামকরণ করেন Tunicata এদের প্রজাতি সংখ্যা ,৮০৪।

কর্ডাটা পর্বের বৈশিষ্ট্য ।। ড. সিদ্দিক পাবকেশন্স

১। মেরুদন্ডঃ কর্ডাটাদের ভ্রুণ অবস্থায় অথবা সারাজীবন নটোকর্ড থাকে। উন্নত প্রাণীদের নটোকর্ড মেরুদন্ড দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

২। মস্তিস্কঃ কর্ডাটাদের নার্ভকর্ড থাকে। নার্ভকর্ডের সম্মুখপ্রান্ত মস্তিস্ক গঠন করে।

৩। সুষুষ্মাকান্ডঃ কর্ডাটা প্রাণীদের নার্ভকর্ডের পশ্চাৎ অংশ সুষুষ্মাকান্ড গঠন করে।

৪। গলবিলীয় ফুলকা রন্ধ্রঃ কর্ডাটাদের জীবনের যেকোন দশায় অথবা সারাজীবন গলবিলীয় ফুলকা রন্ধ্র থাকে।

৫। হৃৎপিন্ডঃ কর্ডাটা প্রাণীদের সুগঠিত হৃৎপিন্ড উপস্থিত। হৃৎপিন্ড সর্বদা অন্ত্রের অঙ্কীয়দেশে অবস্থিত।

৬। এন্ডোস্টাইলঃ কর্ডাটা প্রাণীদের এন্ডোস্টাইল থাকে। এন্ডোস্টাইল পরে থাইরয়েড গ্রন্থিতে রুপান্তরিত হয়।

৭। পরিপাকতন্ত্রঃ কর্ডাটা প্রাণীদের পরিপাকতন্ত্র সম্পূর্ণ। এতে অন্তঃকোষীয় এবং বহিঃকোষীয় পরিপাক গ্রন্থি থাকে।

৮। লেজঃ কর্ডাটাদের পায়ু পরবর্তী পেশল স্থিতিস্থাপক লেজ থাকে। কখনো কখনো পরিবর্তনের সময় লেজ নষ্ট হতে পারে।

৯। রক্ত সংবহনতন্ত্রঃ কর্ডাটাদের রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ ধরনের। ইহা রক্ত, রক্তনালিকা ও রক্তজালক দ্বারা গঠিত। এতে হেপাটিক পোর্টালতন্ত্র বিদ্যমান।

১০। রেচনতন্ত্রঃ কর্ডাটাদের প্রধান রেচনতন্ত্র একজোড়া বৃক্ক দ্বারা গঠিত। এর মাধ্যমে দেহ থেকে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য নিস্কাশিত হয়।

১১। দেহ ত্বকঃ কর্ডাটা প্রাণীদের দেহ ত্বক এপিডার্মিস (এক্টোডার্ম উদ্ভ‚ত) এবং ডার্মিস (মেসোডার্ম উদ্ভ‚ত) নিয়ে গঠিত।

১২। অন্তঃকঙ্কালঃ কর্ডাটাদের অন্তঃকঙ্কাল অস্থি বা তরুণাস্থি নির্মিত।

১৩। চক্ষুঃ কর্ডাটাদের চক্ষু সরল প্রকৃতির। ইহা মস্তিষ্ক থেকে উৎপত্তি লাভ করে।

১৪। পাশর্^পদঃ মেরুদন্ডী প্রাণীদের দুই জোড়া পাশর্^পদ থাকে।

১৫। খন্ডায়নঃ কর্ডাটাদের খন্ডায়ন দেহপ্রাচীর, মস্তিষ্ক ও লেজে সীমাবদ্ধ থাকে।

১৬। জননঃ কর্ডাটা পর্বের প্রাণীরা একলিঙ্গিক। এদের যৌনজনন ঘটে। অযৌন জনন অনুপস্থিত।

১৭। অসমোরেগুলেশনঃ বৃক্কের মাধ্যমে কর্ডাটাদের অসমোরেগুলেশন ঘটে।

১৮। সিলোমঃ কর্ডাটাদের দেহে প্রকৃত সিলোম উপস্থিত। হৃৎপিন্ডের চারপাশে পেরিকার্ডিয়াল গহŸর থাকে।

[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ মেরুদন্ড, মস্তিষ্ক, সুষুষ্মাকান্ড, গলবিলীয় ফুলকারন্ধ্র, এন্ডোস্টাইল, লেজ ]

কর্ডাটা কাকে বলে ।। Chordata ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

ল্যাটিন শব্দ Chorda অর্থ chord বা notocord বা রজ্জু এবং ata অর্থ to bear বা বহন করা নিয়ে Cordata শব্দটি গঠিত। যে সব প্রাণিদের সারা জীবন অথবা জীবনের যে কোন দশায় দন্ডাকার স্থিতিস্থাপক নটোকর্ড এবং ফাঁপা ¯œায়ুরজ্জু থাকে তাদেরকে কর্ডাটা বলে। পৃথিবীতে কর্ডাটার সংখ্যা প্রায় % ননকর্ডাটার সংখ্যা ৬৮,৫০০ (Hiclman,২০০৮) বিজ্ঞানী Balfour (১৮৮০) নটোকর্ডধারী প্রাণিদের নিয়ে Chordata পর্বটি সৃষ্টি করেন। Bateson সর্বপ্রথম পর্বের নামকরণ করেন।

স্টার ফিশ কী ।। Star fish ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

একাইনোডার্মাটা পর্বের তারকা আকৃতির প্রাণীদেরকে স্টার ফিশ বলে। এদের পাঁচটি বাহু থাকে বলে তারার মতো দেখায়। যেমন-Asterias vulgaris, Astropecten euryacanthus, Ophiura ciliaris.

টিউব ফিট কাকে বলে ।। Tube feet ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

টিউব ফিট হলো চলন অঙ্গ। একাইনোডার্মাটা পর্বের প্রাণীদের দেহে দুই সারিতে যে নালিকা সজ্জিত থাকে তাকে টিউব ফিট বলে। টিউব ফিটগুলো সরু, ফাঁপা, পেশিময় এবং স্থিতিস্থাপক। অ্যাম্বুল্যাক্রাল খাঁজের দৈর্ঘ্য বরাবর টিউব ফিটগুলো সৃষ্টি হয়। যেমন- সমুদ্র তারা (Asterias vulgaris)।