১। বাটারফ্লাই এর দেহ পাতলা এবং নরম লোম বিশিষ্ট।
২। বাটাইফ্লাই এর পিউপা ক্রাইসালিসের মধ্যে থাকে।
৩। প্রাপ্তবয়স্কদের অ্যান্টেনা পাতলা এবং মাথায় চাকতি থাকে।
৪। বসা অবস্থায় পাখনা খাড়া অবস্থায় থাকে।
Educational Website
১। বাটারফ্লাই এর দেহ পাতলা এবং নরম লোম বিশিষ্ট।
২। বাটাইফ্লাই এর পিউপা ক্রাইসালিসের মধ্যে থাকে।
৩। প্রাপ্তবয়স্কদের অ্যান্টেনা পাতলা এবং মাথায় চাকতি থাকে।
৪। বসা অবস্থায় পাখনা খাড়া অবস্থায় থাকে।
মাছি- Musca domestica
গলদা চিংড়ি- Macrobrachium resenbergii
বাগদা চিংড়ি- Penaeus monodon
তেলাপোকা- Periplaneta americana
অশ^খুর কাঁকড়া- Tachypleus tridentatus
লিমুলাস- Limulus polyphenus
মশা- Culex pipiens
ডেঙ্গু মশা- Aedes aegypti
মৌমাছি- Apis mellifera
মাকড়সা- Lycosa lenta
ঘাস ফড়িং- Oxya chinensis
প্রজাপতি- Papilio xuthus
শতপদী- Scolopendra laeta
হাজার পদী- Julus terrestris
কাঁকড়া- Scylla olivacea
বিছাপোকা- Scolopendra gigantea
বার্নাকল- Balanus balanus
শিকারী মেন্টিস- Mantis religiosa
বইপোকা- Lepisma saccharina
বুথাস- Buthus tamulus
Arthropoda পর্বকে একাধিক উপপর্বে বিভক্ত করা হয়েছে।
Arthropoda পর্বকে একাধিক উপপর্বে বিভক্ত করা হয়েছে।
১। ট্রিলোবিটোমরফাঃ এরা অমেরুদন্ডী সন্ধিপদী প্রাণী। এদের বহিঃকঙ্কাল শক্তি। এরা সবচেয়ে বেশি বৈচিত্রপূর্ণ।
২। ক্রুস্টাসিঃ এদের দেহ নরম এবং ত্রিস্তরী। প্রকৃত সিলোম বিদ্যমান। দুই জোড়া অ্যান্টেনা থাকে। দুইটি যৌগিক চোখ থাকে। দেহ সেগমেন্টে বিভক্ত। যেমন- বাগদা চিংড়ি (Penaeus monodon)।
৩। ক্যালিসেরাটাঃ এরা আট পদবিশিষ্ট সন্ধিপদী। দেহ মাথা ও ধড়ে বিভক্ত। এদের ডানা থাকে না। দেহে বিষগ্রন্থি বিদ্যমান। যেমন- মাকড়সা (Lycosa lenta)
৪। হেক্সাপোডাঃ এদের দেহ কাইটিনময় এবং মস্তক, বক্ষ ও উদরে বিভক্ত। বক্ষে একজোড়া সন্ধিযুক্ত পা এবং একজোড়া ডানা থাকে। শাখা-প্রশাখাযুক্ত ট্রাকিয়ালতন্ত্র আছে। বায়ু নালিকা দ্বারা শ^সন সম্পন্ন করে ।মুক্ত রক্ত সংবহনতন্ত্র বিদ্যমান। মালপিজিয়ান নালি দ্বারা রেচন সম্পন্ন করে
গ্রীক শব্দ arthros অর্থ সন্ধিযুক্ত এবং podos অর্থ পা নিয়ে Arthropoda শব্দটি গঠিত। যে সব প্রাণীদের দেহ সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গবিশিষ্ট, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, মুক্ত সংবহনতন্ত্র বিশিষ্ট্য, হিমোসিলযুক্ত এবং বহিঃকঙ্কাল কাইটিন যুক্ত তাদেরকে আর্থ্রোপোডা বলে। প্রাণিজগতের সবচেয়ে বড় পর্ব হলো Arthropoda। প্রাণিজগতে ৮০% প্রাণী হলো আথ্রোপোডা। প্রজাতি সংখ্যা প্রায় ১২,৫৭,০৪০টি। এরা তৃণভোজী (herbivours), মাংসাশী (carnivours) বা সর্বভূক (omnivours)। ভন সিবোল্ড (Von Siebold, ১৮৪৫) এ পর্বের নাম করেন Arthropoda।
আর্থ্রোপোডা পর্বের বৈশিষ্ট্য
১। এরা ট্রিপ্লোব্লাস্টিক প্রাণী, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম এবং খন্ডকায়িত।
২। দেহ ট্যাগমাটায় বিভক্ত। দেহ মস্তক, বক্ষ ও উদরে বিভক্ত।
৩। এরা সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বিশিষ্ট প্রাণী। মাথায় একজোড়া অ্যান্টেনা এবং একজোড়া পুঞ্জাক্ষি থাকে।
৪। দেহের উপাঙ্গ পরিবর্তিত হয়ে মুখোপাঙ্গ সৃষ্টি হয়। ইহা খাদ্য গ্রহণ করে।
৫। বহিঃকংকাল কিউটিক্ল নির্মিত এবং নিয়মিত নির্মোচন বা মোল্টিং হয়।
৬। দেহগহŸর হিমোসিল নামে পরিচিত। ইহা রক্ত দ্বারা পুর্ণ থাকে।
৭। এদের প্রধান রেচন অঙ্গ হলো মালপিজিয়ান নালিকা। তবে সবুজ গ্রন্থি, সিলোম, কক্সাল গ্রন্থি, অ্যান্টেনাল গ্রন্থি ও ম্যাক্সিলারী গ্রন্থি দ্বারাও রেচন সম্পন্ন হয়।
৮। রক্ত সংবহনতন্ত্র উন্মুক্ত ধরনের। ইহা হৃৎযন্ত্র, ধমনী ও হিমোসিল নিয়ে গঠিত।
৯। এদের ট্রাকিয়া, ফুলকা, দেহ ত্বক, বুকগিল অথবা বুক লাঙ দ্বারা শ্বসন সম্পন্ন হয়।
১০। পুরুষ-স্ত্রী পৃথক প্রাণী। এদের অন্তঃনিষেক ঘটে। পরিস্ফুটনে রুপান্তর ঘটে।
১১। জীবনচক্রে উথিকা, পিউপা ও নিম্ফ দশা দেখা যায়।
১২। এরা স্থলচর, জলচর, নিশ্চল, মুক্তজীবী, পরজীবী বা সহবাসী হিসেবে বাস করে।
[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ ট্রিপ্লোব্লাস্টিক, ট্যাগমাটা, পুঞ্জাক্ষি, মোল্টিং, হিমোসিল, মালপিজিয়ান নালিকা, বুক লাঙ]নেফ্রিডিয়া হলো এক ধরনের রেচন অঙ্গ। অ্যানিলিডা পর্বের প্রাণীদের দেহে বিদ্যমান প্যাঁচানো রেচন অঙ্গকে নেফ্রিডিয়া বলে। ইহা নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য সংগ্রহ করে। বর্জ পদার্থ অন্ত্রে প্রেরণ করে। অসমোরেগুলেশনে ভূমিকা পালন করে।
জোঁক- Hirudinaria medicinalis
নেরিস- Nereis/Neanthes caudata
দর্শনীয় কীট- Amphrite figulus
অ্যারেনিকোলা- Arenicola marina
কেঁচো- Metaphire posthuma
টেরিবেলা- Terebella lapidaria
হিমোপিস- Haemopis terresstris
পন্টোপডেলা- Pontopdella muricata
রোমশ কীট- Hediste diversicolor
রক্ত কীট- Glycera convoluta
লুমব্রিকাস- Lumbricus terrestris
পার্চমেন্ট কীট- Chaetopterus variopedatus
লালচে কীট- Eisenia foetida
টিউবিফেক্স- Tubifex tubifex
সমুদ্র উকুন- Aphrodite aculeata
অর্নেট কীট- Aphrodite ornata
পাখা কীট- Serpula vermicularis
Annelida পর্বকে ৩টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।
১। পলিকিটাঃ এদের দেহ খন্ডগুলো কিটা বা লোম যুক্ত। চলন অঙ্গ প্যারাপোডিয়া। সংবেদী অঙ্গ হলো নিউসেল অর্গান। এরা বেশির ভাগ সামুদ্রিক। যেমন- Nereis caudata।
২। ওলিগোকিটাঃ এরা জোঁক সদৃশ প্রাণী। এরা গর্ত খুঁড়ে বাস করে। যেমন- Metaphire posthuma।
৩। হিরুডিনিয়াঃ এদের ক্লাইটেলাম থাকে। দেহে হিরুডিন নামক পদার্থ বিদ্যমান। যেমন- Hirudinaria medicinalis।
ল্যাটিন শব্দ annelus অর্থ ছোট আংটি এবং eidos অর্থ আকৃতি নিয়ে Annelida শব্দটি গঠিত। যে সকল প্রাণীদেহ ট্রিপ্লোব্লাস্টিক, নলাকার, আংটির মতো খন্ডক বা মেটামিয়ার দ্বারা গঠিত তাদেরকে অ্যানিলিডা বলে। এ পর্বের প্রাণিরা আংটি কীট বা খন্ডায়িত নামে পরিচিত। যে প্রক্রিয়ায় ক্ষুধার্ত জোঁক শরীরে লাগিয়ে দেহ থেকে দুষিত রক্ত শোষণ করা হয় তাকে ফ্লেবোটমি বলে। এ পর্বের প্রজাতি সংখ্যা প্রায় ১৭,৩৩৮টি। Lamark (১৮০৯) নরম দেহের প্রাণিদের Annelida নামে চিহ্নিত করেন।
অ্যানিলিডা পর্বের বৈশিষ্ট্য
১। দেহ লম্বা, নলাকার, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম এবং প্রকৃত সিলোম যুক্ত।
২। দেহ খন্ডায়িত এবং আংটির মতো একই ধরনের অনেক গুলো খন্ডক বা মেটামিয়ার দ্বারা গঠিত।
৩। চলন অঙ্গ হলো কাইটিন যুক্ত সিটি বা প্যারাপোডিয়া।
৪। নেফ্রিডিয়া নামক প্যাচানো রেচন অঙ্গ প্রায় প্রতিটি খন্ডকে অবস্থিত। একে সেগমেন্টাল অর্গান বলে।
৫। দেহে ক্লাইটেলাম থাকে এবং ইহা মিউকাস ক্ষরণ করে।
৬। পৌষ্টিক নালি নলাকার ও সম্পুর্ণ এবং মুখ ও পায়ু ছিদ্র দ্বারা গঠিত।
৭। রক্ত লাল। রক্তরসে হিমোগ্লোবিন, হিম-এরিথ্রিন অথবা ক্লোরোকুয়োরিন থাকে।
৮। দেহ কাইটিনবিহীন এবং নরম কিউটিকল দ্বারা গঠিত।
৯। জীবনচক্রে ট্রোকোফোর নামক সাতারু লার্ভার বিকাশ ঘটে।
১০। এরা একলিঙ্গিক বা উভলিঙ্গিক। যৌন ও অযৌন পদ্ধতিতে জনন ঘটে।
[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ মেটামিয়ার, সিটি, প্যারাপোডিয়া, নেফ্রিডিয়া, ট্রোকোফোর]
ডেভিল ফিশ (Devil fish)
মলাস্কা পর্বভুক্ত আটটি বাহুবিশিষ্ট সামুদ্রিক প্রাণীকে ডেভিল ফিশ বলে। একে অক্টোপাস বলা হয়। এরা বাহু দ্বারা শিকারকে আটকে ধরে এবং মুখ থেকে নিঃসৃত বিষাক্ত লালা দ্বারা শিকারকে মেরে ফেলে। যেমন– Octopus macropus।
কাটল ফিশ (Cuttle fish)
মলাস্কা পর্বভুক্ত সেপিয়া এবং ললিগো–কে কাটল ফিশ বলে। কাটল ফিশ ভক্ষণযোগ্য প্রাণী। এদের দেহ শিল্ড আকৃতির। দেহে খোলস বিদ্যমান। যেমন– Sepia aculeata।
র্যাডুলা (Radula)
র্যাডুলা হলো রেতি জিহ্বা। মলাস্কা পর্বভুক্ত প্রাণীদের পরিপাকতন্ত্রে দন্তযুক্ত জিহ্বার মতো যে অঙ্গ থাকে তাকে র্যাডুলা বা রেতি জিহ্বা বলে। ইহা কাইটিন নির্মিত। ইহা খাদ্য গ্রহণ ও চর্বণে সহায়তা করে। যেমন– শামুক (Pila globosa)।
টেনিডিয়া (Ctenidia)
টেরিডিয়া হলো শ^সন অঙ্গ। মলাস্কা পর্বভুক্ত প্রাণীদের দেহে ফুলকার মতো যে শ্বাস অঙ্গ থাকে তাকে টেনিডিয়া বলে। ইহা প্রাণীদের ম্যান্টলে বা ম্যান্টল গহŸরে অথবা বডি সার্ফেসে থাকে।
শামুক– Pila globosa
অক্টোপাস– Octopus macropus
ঝিনুক– Lamellidens marginalis
ডেন্টালিয়াম– Dentalium kernedei
ললিগো– Loligo edulis
ক্যাটল ফিশ– Sepia aculeata
নেওপিলিনা– Neopilina galatheae
টেরেডো– Teredo navalis
ঝিনুক– Unio marginalis
মুক্তা ঝিনুক– Pinctada vulgaris
কাইটন– Chiton tuberculatus
কাইটন– Ischnochiton evanida
চিটোডার্মা– Chaetoderma nitidulum
সোলেন– Solen ensis
বাগান শামুক– Helix pomatia
কিং স্ক্যালপ– Pecten maximus