C3 উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য কী কী

১। C3 উদ্ভিদ  শীত প্রধান দেশ হতে উৎপত্তি লাভ করেছে।

২। C3 উদ্ভিদ উচ্চ তাপমাত্রায় খাপখাইয়ে নিতে অক্ষম।

৩। ১০-২৫ ডিগ্রী সে তাপমাত্রা এদের জীবন ধারণের জন্য সহজ।

৪। C3 উদ্ভিদের পাতায় ক্র্যাঞ্জ অ্যানাটমি থাকে না।

৫। এদের পাতার বান্ডলসীথকে ঘিরে মেসোফিল কোষের স্তর থাকে না।

৬। C3 উদ্ভিদের মেসোফিল কোষে ক্যালভিন-ব্যাশাম চক্র ঘটে।

৭। এদের CO2 বিজারণ হার কম।

৮। C3 উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের হার কম।

৯। এদের প্রস্বেদন ও ফটোরেসপিরেশন বেশি ঘটে।

১০। এদের ক্লোরোপ্লাস্ট গঠনগত ভাবে একই ধরনের।

১১। বায়ুমন্ডলের CO2 এর ঘনত্ব ৫০-১৫০ ppm হলে এদের সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভাল হয় ।

১২। C3 উদ্ভিদের স্টোম্যাটা দিনের বেলা খোলা থাকে এবং রাতে বন্ধ থাকে।

১৩। C3 উদ্ভিদের অধিকাংশ বিক্রিয়া একমুখী।

১৪। এরা পানি অপচয় বেশি করে এবং শুষ্ক অঞ্চলে অভিযোজিত হতে পারে না।

১৫। C3 উদ্ভিদের মেসোফিল কোষে রাইবুলোজ বিসফসফেট কার্বোক্সিলেজ এনজাইমের কার্যকারীতা যথেষ্ট।

১৬। বান্ডলসীথ ক্লোরোপ্লাস্টে এবং মেসেফিল ক্লোরোপ্লাস্টে স্টার্চ দানা থাকে।

১৭। রুবিস্কো এনজাইমের কার্যকারীতা বান্ডলসীথ এবং মেসোফিল উভয় কোষে ঘটে।

১৮। বায়ুমন্ডলে ২০% এর বেশি O2  থাকলে C3 উদ্ভিদের কার্বন বিজারণ বাধাগ্রস্ত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *