মুকুল অবস্থায় ফুলের বৃত্যংশ অথবা দলমন্ডল গুলো পরস্পর প্রান্ত দ্বারা যুক্ত থাকলে তাকে ভালভেট বা প্রান্তস্পর্শী বলে। যেমন- জবা ফুলের বৃতি, আকন্দ, বাবলা, আতা প্রভৃতি।
Category: Biology Second Paper
পুষ্পবিন্যাস । পুষ্পবিন্যাস কী । পুষ্পবিন্যাসের প্রকারভেদ । Inflorescence । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
পুষ্প গুলো শাখার উপর যে ভাবে সজ্জিত থাকে তাকে পুষ্পবিন্যাস বলে। পুষ্পবিন্যাস দুই ধরনের। অনিয়ত বা রেসিমোস এবং নিয়ত বা সাইমোস
১। রেসিমোস (Racemose)ঃ অনিয়ত বর্ধনশীল মঞ্জরিদন্ডযুক্ত পুষ্পমঞ্জরিকে রেসিমোস বলে। বিভিন্ন ধরনের রেসিমোস হলো-
(i) রেসিমঃ মঞ্জরিদন্ড লম্বা ও অনিয়ত এবং পুষ্প অগ্রোন্মুখ ভাবে সজ্জিত থাকে। যেমন- সরিষা, তাল, আম, নিম, মূলা প্রভৃতি।
(ii) স্পাইকঃ মঞ্জরিদন্ড লম্বা ও অনিয়ত এবং অবৃন্তক পুষ্প মঞ্জরিদন্ডের সাথে যুক্ত থাকে। যেমন- রজনীগন্ধা।
(iii) স্পাইকলেটঃ মঞ্জরিদন্ড সংক্ষিপ্ত এবং অনেকটা স্পাইকের মতো হয়। এতে দুইটি শুকনা গ্লুম থাকে। একে শুন্য গ্লুম বলে। শুন্য গ্লুম-১ এবং শুন্য গ্লুম-২। দুইটি সপুষ্পক গ্লুম থাকে। লেমা এবং প্যালিয়া। পুষ্পক গ্লুম দু’টির মধ্যে নিচেরটিকে লেমা এবং উপরেরটিকে প্যালিয়া বলে। প্যালিয়ার উপরে পুষ্প থাকে। যেমন- ধান, গম, ভূট্রা, আখ, ঘাস প্রভৃতি।
(iv) ক্যাপিচুলামঃ মঞ্জরিদন্ড স্থুল, স্ফীত ও প্রশস্ত হয়ে পুষ্পাধার গঠন করে। পুষ্পাধারে দুই ধরনের পুষ্প থাকে। বাইরের দিকে রে-পুষ্পিকা এবং ভিতরের দিকে ডিস্ক-পুষ্পিকা। যেমন- গাঁদা, সূর্যমুখী, ডালিয়া, ত্রিধারা, কসমস।
(v) স্প্যাডিক্সঃ মঞ্জরীদন্ড খাটো ও রসালো। ফুল অবৃন্তক এবং একলিঙ্গ। মঞ্জরিদন্ডটি এক বা একাধিক বৃহদাকার স্প্যাথি দ্বারা আবৃত থাকে। যেমন- নারিকেল, কচু, কলা, সুপারি প্রভৃতি।
(vi) ক্যাটকিনঃ মঞ্জরিদন্ড সরু, লম্বা ও স্থিতিস্থাপক। ইহা কান্ড শীর্ষ থেকে নিচের দিকে ঝুলে থাকে। যেমন- মুক্তঝুরি।
(vii) করিম্বঃ মঞ্জরিদন্ডে অবস্থিত সকল ফুলের বৃন্ত সমান। তাই ফুলগুলো একই তলে অবস্থান করে। যেমন- কালকাসুন্দা।
(viii) আম্বেলঃ মঞ্জরিদন্ড খাটো এবং এর শীর্ষে সমবৃন্তক ফুল সৃষ্টি হয়। যেমন- ধনে, গাজর প্রভৃতি।
(ix) ক্যাপিটেটঃ মঞ্জরিদন্ড খাটো এবং এর শীর্ষে অবৃন্তক ফুল এমন ভাবে সাজানো থাকে যেন গোটা মঞ্জরি গোলাকার দেখায়। যেমন- লজ্জাবতী, বাবলা প্রভৃতি।
২। সাইমোস (Cymose)ঃ নিয়ত বর্ধনশীল মঞ্জরিদন্ডযুক্ত পুষ্পমঞ্জরিকে সাইমোস বলে। বিভিন্ন ধরনের সাইমোস হলো-
(i) ভার্টিসিল্যাস্টারঃ প্রতিমুখ পাতার কক্ষে অনেকগুলো পুষ্প আবর্তাকারে প্রস্ফুটিত হয়ে সম্পূর্ণ পর্বকে বেষ্টন করে রাখলে তাকে ভার্টিসিল্যাস্টার বলে। যেমন- শ্বেতদ্রোণ।
(ii) সায়াথিয়ামঃ সায়াথিয়ামে পুষ্পাধার সংক্ষিপ্ত এবং মঞ্জরিপত্রগুলো পরস্পর সংযুক্ত হয়ে পেয়ালাকৃতির ইনভোলুক্রি গঠন করে। পুষ্পাধারের মাঝখানে একটি মাত্র স্ত্রীপুষ্প এবং চারিদিকে পুংপুষ্প থাকে। যেমন- লালপাতা।
(iii) হাইপ্যানথোডিয়ামঃ প্রধান অক্ষ রুপান্তরিত হয়ে হুক্কার খোলের মতো গঠন সৃষ্টি করে যার মাথায় একটি ছিদ্র থাকে। অবৃন্তক ক্ষুদ্র পুংপুষ্পগুলো ছিদ্রের নিকটে এবং স্ত্রীপুষ্পগুলো তলদেশে অবস্থান করে। যেমন-বট, ডুমুর প্রভৃতি।
হাইপ্যানথোডিয়াম ।। হাইপ্যানথোডিয়াম কী ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
প্রধান অক্ষ রুপান্তরিত হয়ে হুক্কার খোলের মতো গঠন সৃষ্টি করে যার মাথায় একটি ছিদ্র থাকে। অবৃন্তক ক্ষুদ্র পুংপুষ্পগুলো ছিদ্রের নিকটে এবং স্ত্রীপুষ্পগুলো তলদেশে অবস্থান করে। যেমন-বট, ডুমুর প্রভৃতি।
সায়াথিয়াম । সায়াথিয়াম কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
সায়াথিয়ামে পুষ্পাধার সংক্ষিপ্ত এবং মঞ্জরিপত্রগুলো পরস্পর সংযুক্ত হয়ে পেয়ালাকৃতির ইনভোলুক্রি গঠন করে। পুষ্পাধারের মাঝখানে একটি মাত্র স্ত্রীপুষ্প এবং চারিদিকে পুংপুষ্প থাকে। যেমন- লালপাতা।
ভার্টিসিল্যাস্টার । ভার্টিসিল্যাস্টার কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
প্রতিমুখ পাতার কক্ষে অনেকগুলো পুষ্প আবর্তাকারে প্রস্ফুটিত হয়ে সম্পূর্ণ পর্বকে বেষ্টন করে রাখলে তাকে ভার্টিসিল্যাস্টার বলে। যেমন- শ্বেতদ্রোণ।
স্প্যাডিক্স । স্প্যাডিক্স কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
মঞ্জরীদন্ড খাটো ও রসালো। ফুল অবৃন্তক এবং একলিঙ্গ। মঞ্জরিদন্ডটি এক বা একাধিক বৃহদাকার স্প্যাথি দ্বারা আবৃত থাকে। যেমন- নারিকেল, কচু, কলা, সুপারি প্রভৃতি।
ক্যাপিচুলাম । ক্যাপিচুলাম কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
মঞ্জরিদন্ড স্থুল, স্ফীত ও প্রশস্ত হয়ে পুষ্পাধার গঠন করে। পুষ্পাধারে দুই ধরনের পুষ্প থাকে। বাইরের দিকে রে-পুষ্পিকা এবং ভিতরের দিকে ডিস্ক-পুষ্পিকা। যেমন- গাঁদা, সূর্যমুখী, ডালিয়া, ত্রিধারা, কসমস।
স্পাইকলেট । স্পাইকলেট কী । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
মঞ্জরিদন্ড সংক্ষিপ্ত এবং অনেকটা স্পাইকের মতো হয়। এতে দুইটি শুকনা গ্লুম থাকে। একে শুন্য গ্লুম বলে। শুন্য গ্লুম-১ এবং শুন্য গ্লুম-২। দুইটি সপুষ্পক গ্লুম থাকে। লেমা এবং প্যালিয়া। পুষ্পক গ্লুম দু’টির মধ্যে নিচেরটিকে লেমা এবং উপরেরটিকে প্যালিয়া বলে। প্যালিয়ার উপরে পুষ্প থাকে। যেমন- ধান, গম, ভূট্রা, আখ, ঘাস প্রভৃতি।
সাইমোস । সাইমোস কী । সাইমোস এর প্রকারভেদ । Cymose । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
নিয়ত বর্ধনশীল মঞ্জরিদন্ডযুক্ত পুষ্পমঞ্জরিকে সাইমোস বলে। বিভিন্ন ধরনের সাইমোস হলো-
(i) ভার্টিসিল্যাস্টারঃ প্রতিমুখ পাতার কক্ষে অনেকগুলো পুষ্প আবর্তাকারে প্রস্ফুটিত হয়ে সম্পূর্ণ পর্বকে বেষ্টন করে রাখলে তাকে ভার্টিসিল্যাস্টার বলে। যেমন- শ্বেতদ্রোণ।
(ii) সায়াথিয়ামঃ সায়াথিয়ামে পুষ্পাধার সংক্ষিপ্ত এবং মঞ্জরিপত্রগুলো পরস্পর সংযুক্ত হয়ে পেয়ালাকৃতির ইনভোলুক্রি গঠন করে। পুষ্পাধারের মাঝখানে একটি মাত্র স্ত্রীপুষ্প এবং চারিদিকে পুংপুষ্প থাকে। যেমন- লালপাতা।
(iii) হাইপ্যানথোডিয়ামঃ প্রধান অক্ষ রুপান্তরিত হয়ে হুক্কার খোলের মতো গঠন সৃষ্টি করে যার মাথায় একটি ছিদ্র থাকে। অবৃন্তক ক্ষুদ্র পুংপুষ্পগুলো ছিদ্রের নিকটে এবং স্ত্রীপুষ্পগুলো তলদেশে অবস্থান করে। যেমন-বট, ডুমুর প্রভৃতি।
রেসিমোস । রেসিমোস কী । রেসিমোস এর প্রকারভেদ । Racemose । ড. সিদ্দিক পাবলিশেন্স
অনিয়ত বর্ধনশীল মঞ্জরিদন্ডযুক্ত পুষ্পমঞ্জরিকে রেসিমোস বলে। বিভিন্ন ধরনের রেসিমোস হলো-
(i) রেসিমঃ মঞ্জরিদন্ড লম্বা ও অনিয়ত এবং পুষ্প অগ্রোন্মুখ ভাবে সজ্জিত থাকে। যেমন- সরিষা, তাল, আম, নিম, মূলা প্রভৃতি।
(ii) স্পাইকঃ মঞ্জরিদন্ড লম্বা ও অনিয়ত এবং অবৃন্তক পুষ্প মঞ্জরিদন্ডের সাথে যুক্ত থাকে। যেমন- রজনীগন্ধা।
(iii) স্পাইকলেটঃ মঞ্জরিদন্ড সংক্ষিপ্ত এবং অনেকটা স্পাইকের মতো হয়। এতে দুইটি শুকনা গ্লুম থাকে। একে শুন্য গ্লুম বলে। শুন্য গ্লুম-১ এবং শুন্য গ্লুম-২। দুইটি সপুষ্পক গ্লুম থাকে। লেমা এবং প্যালিয়া। পুষ্পক গ্লুম দু’টির মধ্যে নিচেরটিকে লেমা এবং উপরেরটিকে প্যালিয়া বলে। প্যালিয়ার উপরে পুষ্প থাকে। যেমন- ধান, গম, ভূট্রা, আখ, ঘাস প্রভৃতি।
(iv) ক্যাপিচুলামঃ মঞ্জরিদন্ড স্থুল, স্ফীত ও প্রশস্ত হয়ে পুষ্পাধার গঠন করে। পুষ্পাধারে দুই ধরনের পুষ্প থাকে। বাইরের দিকে রে-পুষ্পিকা এবং ভিতরের দিকে ডিস্ক-পুষ্পিকা। যেমন- গাঁদা, সূর্যমুখী, ডালিয়া, ত্রিধারা, কসমস।
(v) স্প্যাডিক্সঃ মঞ্জরীদন্ড খাটো ও রসালো। ফুল অবৃন্তক এবং একলিঙ্গ। মঞ্জরিদন্ডটি এক বা একাধিক বৃহদাকার স্প্যাথি দ্বারা আবৃত থাকে। যেমন- নারিকেল, কচু, কলা, সুপারি প্রভৃতি।
(vi) ক্যাটকিনঃ মঞ্জরিদন্ড সরু, লম্বা ও স্থিতিস্থাপক। ইহা কান্ড শীর্ষ থেকে নিচের দিকে ঝুলে থাকে। যেমন- মুক্তঝুরি।
(vii) করিম্বঃ মঞ্জরিদন্ডে অবস্থিত সকল ফুলের বৃন্ত সমান। তাই ফুলগুলো একই তলে অবস্থান করে। যেমন- কালকাসুন্দা।
(viii) আম্বেলঃ মঞ্জরিদন্ড খাটো এবং এর শীর্ষে সমবৃন্তক ফুল সৃষ্টি হয়। যেমন- ধনে, গাজর প্রভৃতি।
(ix) ক্যাপিটেটঃ মঞ্জরিদন্ড খাটো এবং এর শীর্ষে অবৃন্তক ফুল এমন ভাবে সাজানো থাকে যেন গোটা মঞ্জরি গোলাকার দেখায়। যেমন- লজ্জাবতী, বাবলা প্রভৃতি।