যে প্রক্রিয়ায় হাইড্রা লুপ বা ফাঁস সৃষ্টির মাধ্যমে চলাচল করে তাকে লুপিং চলন বলে। হাইড্রা লম্বা দুরত্ব অতিক্রমের জন্য লুপিং চলন প্রদর্শন করে।
(i) এ প্রক্রিয়ায় হাইড্রা পদতল দ্বারা গতিপথের উপর সোজা হয়ে দাঁড়ায়।
(ii) মাথাকে সামনের দিকে বাঁকিয়ে কর্ষিকা দ্বারা গতিপথকে স্পর্শ করে।
(iii) কর্ষিকার নেমাটোসিস্ট দ্বারা ভিত্তিকে স্পর্শ করলে পদতল ও মাথার মাঝখানে একটি লুপ সৃষ্টি হয়।
(iv) এরপর পদতলকে টেনে মাথার কর্ষিকার নিকটে আনে।
(v) পদতল দ্বারা গতিপথকে পুনরায় স্পর্শ করে।
(vi) পদতলের উপর ভর করে মাথা উচিয়ে পুনরায় সোজা হয়ে দাঁড়ায়।
(vii) অতঃপর মাথাকে সামনের দিকে বাঁকিয়ে অগ্রসর হয়।
এভাবে লুপ তৈরীর মাধ্যমে হাইড্রা সামনের দিকে এগিয়ে যায়।
Category: Biology Second Paper
হাইড্রার খাদ্য গ্রহণ ও পরিপাক ।। Hydra ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
পুষ্টি (Nutrition)ঃ যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জটিল খাদ্য সরল ও দ্রবণীয় খাদ্যে পরিনত হয় এবং অপাচ্য অংশ বাইরে নির্গত হয় তাকে পুষ্টি বলে। পুষ্টি প্রক্রিয়ায় শোষিত খাদ্যসার দেহের ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধি সাধন এবং শক্তি উৎপাদন করে।
খাদ্য ধরার কৌশলঃ শিকার ধরার জন্য ক্ষুধার্ত হাইড্রা পদতল দ্বারা ভিত্তিকে আটকে ধরে এবং মূলদেহ ও কর্ষিকা ভাসিয়ে দেয়। কোন শিকার কাছে আসলে কর্ষিকার নেমাটোসিস্টগুলো উদ্দীপ্ত হয়ে উঠে। শিকার কর্ষিকাকে স্পর্শ করার সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের নেমাটোসিস্ট সূত্রক নিক্ষিপ্ত হয়।
ভলভেন্ট নেমাটোসিস্ট শিকারের গতিরোধ করে। গ্লুটিন্যান্টগুলো আঠালো রস ক্ষরণ করে শিকারকে আটকে ধরে। স্টিনোটিল নেমাটোসিস্ট হিপনোটক্সিন নামক বিষ শিকারের দেহে প্রবেশ করিয়ে এবং শিকার অবশ হয়ে যায়। এরপর খাদ্য মুখের কাছে নিয়ে আসে। মুখছিদ্র স্ফীত ও চওড়া হয় এবং মুখে খাদ্য প্রবেশ করে। গ্রন্থিকোষ থেকে নিঃসৃত মিউকাস খাদ্যকে সিক্ত ও পিচ্ছিল করে। হাইপোস্টোম ও দেহপ্রাচীরের সঙ্কোচন-প্রসারণের ফলে খাদ্য সিলেন্টেরনে প্রবেশ করে।
খাদ্য পরিপাক পদ্ধতি (Process of digestion) ঃ যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের এনজাইমের কার্যকারীতায় জটিল খাদ্যবস্তু ভেঙ্গে সরল ও শোষণযোগ্য খাদ্যে পরিনত হয় তাকে পরিপাক বলে। হাইড্রা প্রোটিন, ¯েœহ ও সরল শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাক করতে পারে। এরা স্টার্চ বা জটিল শর্করা পরিপাক করতে পারে না। খাদ্যের অপরিপাককৃত অংশ মুখছিদ্র দিয়ে বের হয়ে আসে। Hydra-র খাদ্য পরিপাক দুইটি পর্যায়ে সংঘটিত হয়। বহিঃকোষীয় পরিপাক এবং অন্তঃকোষীয় পরিপাক।
১। বহিঃকোষীয় পরিপাক (Extracellular digestion)ঃ যে প্রক্রিয়ায় কোষের বাইরে পাকস্থলী, পৌষ্টিকনালি ও সিলেন্টেরণের ভিতরে খাদ্যবস্তু পরিপাক হয় তাকে বহিঃকোষীয় পরিপাক বলে। খাদ্যবস্তু সিলেন্টেরনে পৌছানোর সঙ্গে সঙ্গে মুখ ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। এনজাইমের প্রভাবে শিকার বা খাদ্য মারা যায়। দেহ প্রাচীরের সংকোচন-প্রসারণের ফলে শিকারটি ছোট ছোট কণায় পরিনত হয়। গ্রন্থি কোষ হতে নিঃসৃত এনজাইমের প্রভাবে খাদ্য পরিপাক হয়। প্রোটিন ভেঙ্গে পলিপেপটাইডে পরিনত হয়। এখানে লিপিড জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় না।
২। অন্তঃকোষীয় পরিপাক (Intracellular digestion)ঃ যে প্রক্রিয়ায় কোষের সাইটোপ্লাজমের ভিতরে খাদ্য গহŸরে খাদ্যবস্তু পরিপাক হয় তাকে অন্তঃকোষীয় পরিপাক বলে।
সিলেন্টেরনে আংশিক পাচিত খাদ্য কণা গুলো দেহের সংকোচন-প্রসারণের ফলে আরও ক্ষুদ্র কণায় পরিনত হয়। ক্ষণপদের সাহায্যে কিছু খাদ্য কণা তরলে পরিনত হয়। এরপর খাদ্য কণা গুলো সাইটোপ্লাজমের খাদ্য গহ্বরের ভিতরে প্রবেশ করে। সাইটোপ্লাজম হতে নিঃসৃত এনজাইম খাদ্যকে পরিপাক করে। খাদ্য প্রথমে আম্লিক এবং পরে ক্ষারীয় পর্যায়ে পরিপাক হয়। প্রোটিন ভেঙ্গে অ্যামাইনো এসিডে এবং লিপিড ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড ও গিøসারলে পরিনত হয়।
খাদ্য পরিশোষণ (Absorption) ঃ হাইড্রায় বহিঃকোষীয় এবং অন্তঃকোষীয় পরিপাক ঘটে। পরিপাককৃত খাদ্যসার ক্ষণপদযুক্ত কোষের সাইটোপ্লাজমে শোষিত হয়। সাইটোপ্লাজমে অ্যামাইনো এসিড, গ্লুকোজ, ফ্যাটি এসিড, গিøসারল প্রভৃতির পরিশোষণ ঘটে।
আত্মীকরণ ও বর্জনঃ খাদ্যের পরিপাককৃত অংশকে খাদ্যসার বলে। খাদ্যসার সাইটোপ্লাজমে পরিশোষিত হয় এবং ব্যাপন প্রক্রিয়ায় দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয়। অপাচ্য খাদ্যাংশ দেহপ্রাচীরের সঙ্কোচন-প্রসারণ এবং ফ্ল্যাজেলার সঞ্চালনের ফলে মুখছিদ্রে পৌছায়। এরপর মুখছিদ্র থেকে পানির স্রোতের সাথে মিশে বাইরে নির্গত হয়।
হাইড্রার আত্মীকরণ ও বর্জন ।। Hydra ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
খাদ্যের পরিপাককৃত অংশকে খাদ্যসার বলে। খাদ্যসার সাইটোপ্লাজমে পরিশোষিত হয় এবং ব্যাপন প্রক্রিয়ায় দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয়। অপাচ্য খাদ্যাংশ দেহপ্রাচীরের সঙ্কোচন-প্রসারণ এবং ফ্ল্যাজেলার সঞ্চালনের ফলে মুখছিদ্রে পৌছায়। এরপর মুখছিদ্র থেকে পানির স্রোতের সাথে মিশে বাইরে নির্গত হয়।
হাইড্রার খাদ্য পরিশোষণ ।। Absorption ।। Hydra।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
হাইড্রায় বহিঃকোষীয় এবং অন্তঃকোষীয় পরিপাক ঘটে। পরিপাককৃত খাদ্যসার ক্ষণপদযুক্ত কোষের সাইটোপ্লাজমে শোষিত হয়। সাইটোপ্লাজমে অ্যামাইনো এসিড, গ্লুকোজ, ফ্যাটি এসিড, গ্লিসারল প্রভৃতির পরিশোষণ ঘটে।
হাইড্রার খাদ্য পরিপাক পদ্ধতি । Process of digestion ।। Hydra ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের এনজাইমের কার্যকারীতায় জটিল খাদ্যবস্তু ভেঙ্গে সরল ও শোষণযোগ্য খাদ্যে পরিনত হয় তাকে পরিপাক বলে। হাইড্রা প্রোটিন, ¯েœহ ও সরল শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাক করতে পারে। এরা স্টার্চ বা জটিল শর্করা পরিপাক করতে পারে না। খাদ্যের অপরিপাককৃত অংশ মুখছিদ্র দিয়ে বের হয়ে আসে। Hydra-র খাদ্য পরিপাক দুইটি পর্যায়ে সংঘটিত হয়। বহিঃকোষীয় পরিপাক এবং অন্তঃকোষীয় পরিপাক।
১। বহিঃকোষীয় পরিপাক (Extracellular digestion)ঃ যে প্রক্রিয়ায় কোষের বাইরে পাকস্থলী, পৌষ্টিকনালি ও সিলেন্টেরণের ভিতরে খাদ্যবস্তু পরিপাক হয় তাকে বহিঃকোষীয় পরিপাক বলে। খাদ্যবস্তু সিলেন্টেরনে পৌছানোর সঙ্গে সঙ্গে মুখ ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। এনজাইমের প্রভাবে শিকার বা খাদ্য মারা যায়। দেহ প্রাচীরের সংকোচন-প্রসারণের ফলে শিকারটি ছোট ছোট কণায় পরিনত হয়। গ্রন্থি কোষ হতে নিঃসৃত এনজাইমের প্রভাবে খাদ্য পরিপাক হয়। প্রোটিন ভেঙ্গে পলিপেপটাইডে পরিনত হয়। এখানে লিপিড জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় না।
২। অন্তঃকোষীয় পরিপাক (Intracellular digestion)ঃ যে প্রক্রিয়ায় কোষের সাইটোপ্লাজমের ভিতরে খাদ্য গহŸরে খাদ্যবস্তু পরিপাক হয় তাকে অন্তঃকোষীয় পরিপাক বলে।
সিলেন্টেরনে আংশিক পাচিত খাদ্য কণা গুলো দেহের সংকোচন-প্রসারণের ফলে আরও ক্ষুদ্র কণায় পরিনত হয়। ক্ষণপদের সাহায্যে কিছু খাদ্য কণা তরলে পরিনত হয়। এরপর খাদ্য কণা গুলো সাইটোপ্লাজমের খাদ্য গহ্বরের ভিতরে প্রবেশ করে। সাইটোপ্লাজম হতে নিঃসৃত এনজাইম খাদ্যকে পরিপাক করে। খাদ্য প্রথমে আম্লিক এবং পরে ক্ষারীয় পর্যায়ে পরিপাক হয়। প্রোটিন ভেঙ্গে অ্যামাইনো এসিডে এবং লিপিড ভেঙ্গে ফ্যাটি এসিড ও গিøসারলে পরিনত হয়।
হাইড্রার খাদ্য ধরার কৌশল।। Hydra ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
শিকার ধরার জন্য ক্ষুধার্ত হাইড্রা পদতল দ্বারা ভিত্তিকে আটকে ধরে এবং মূলদেহ ও কর্ষিকা ভাসিয়ে দেয়। কোন শিকার কাছে আসলে কর্ষিকার নেমাটোসিস্টগুলো উদ্দীপ্ত হয়ে উঠে। শিকার কর্ষিকাকে স্পর্শ করার সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের নেমাটোসিস্ট সূত্রক নিক্ষিপ্ত হয়।
ভলভেন্ট নেমাটোসিস্ট শিকারের গতিরোধ করে। গ্লুটিন্যান্টগুলো আঠালো রস ক্ষরণ করে শিকারকে আটকে ধরে। স্টিনোটিল নেমাটোসিস্ট হিপনোটক্সিন নামক বিষ শিকারের দেহে প্রবেশ করিয়ে এবং শিকার অবশ হয়ে যায়। এরপর খাদ্য মুখের কাছে নিয়ে আসে। মুখছিদ্র স্ফীত ও চওড়া হয় এবং মুখে খাদ্য প্রবেশ করে। গ্রন্থিকোষ থেকে নিঃসৃত মিউকাস খাদ্যকে সিক্ত ও পিচ্ছিল করে। হাইপোস্টোম ও দেহপ্রাচীরের সঙ্কোচন-প্রসারণের ফলে খাদ্য সিলেন্টেরনে প্রবেশ করে।
সিলেন্টেরন এর গঠন ও কাজ ।। Coelenteron ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের দেহগহ্বরকে সিলেন্টেরন বলে। হাইড্রার দেহগহ্বর হলো সিলেন্টেরন। আর্কেন্টেরন রুপান্তরিত হয়ে সিলেন্টেরন সৃষ্টি হয়। ইহা গ্যাস্ট্রোডার্মিস দ্বারা আবৃত থাকে। এতে বহিঃকোষীয় পরিপাক ঘটে। এর মধ্য দিয়ে খাদ্যসার ও রেচন পদার্থ পরিবাহিত হয়। তাই একে গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর (Gastrovascular cavity) বা পরিপাক সংবহন গহ্বর বলা হয়। সিলেন্টেরনকে অনেক সময় ব্লাইন্ড গাট (Blind gut) বা ব্লাইন্ড স্যাক (Blind sac) বলা হয়। মুখছিদ্রের মাধ্যমে ইহা বাইরে উন্মক্ত হয়। মুখছিদ্র দ্বারা খাদ্য গ্রহণ ও বর্জ্য ত্যাগ করে।
সিলেন্টেরনকে পরিপাক সংবহন বলা হয় কেন
নিডারিয়া জাতীয় প্রাণীদের পৌষ্টিকনালি এবং দেহগহ্বর উভয়ের কাজ সিলেন্টেরন দ্বারা সম্পন্ন হয়। সিলেন্টেরন খাদ্য পরিপাক, খাদ্যসার পরিবহন, শ^সন, রেচন, বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজ করে। খাদ্য বস্তু সিলেন্টেরনে গৃহীত হয় এবং বহিঃকোষীয় ও অন্তঃকোষীয় পরিপাক সম্পন্ন হয়। অপাচ্য খাদ্যাংশ এবং বর্জ্য পদার্থ মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে বাইরে নির্গত হয়। তাই সিলেন্টেরনকে পরিপাক সংবহন গহ্বর বা গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর (Gastrovascular cavity) বলা হয়।
সিলেন্টেরনের গুরুত্ব
১। সিলেন্টেরন খাদ্য ধারণ করে।
২। ইহা বহিঃকোষীয় পরিপাক ঘটায়।
৩। এর মধ্য দিয়ে খাদ্যসার ও রেচন পদার্থ পরিবাহিত হয়।
৪। ইহা মুখছিদ্র দ্বারা বর্জ্য ত্যাগ করে।
সিলেন্টেরনের গুরুত্ব।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
১। সিলেন্টেরন খাদ্য ধারণ করে।
২। ইহা বহিঃকোষীয় পরিপাক ঘটায়।
৩। এর মধ্য দিয়ে খাদ্যসার ও রেচন পদার্থ পরিবাহিত হয়।
৪। ইহা মুখছিদ্র দ্বারা বর্জ্য ত্যাগ করে।
সিলেন্টেরনকে পরিপাক সংবহন বলা হয় কেন ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
নিডারিয়া জাতীয় প্রাণীদের পৌষ্টিকনালি এবং দেহগহ্বর উভয়ের কাজ সিলেন্টেরন দ্বারা সম্পন্ন হয়। সিলেন্টেরন খাদ্য পরিপাক, খাদ্যসার পরিবহন, শ^সন, রেচন, বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজ করে। খাদ্য বস্তু সিলেন্টেরনে গৃহীত হয় এবং বহিঃকোষীয় ও অন্তঃকোষীয় পরিপাক সম্পন্ন হয়। অপাচ্য খাদ্যাংশ এবং বর্জ্য পদার্থ মুখছিদ্রের মধ্য দিয়ে বাইরে নির্গত হয়। তাই সিলেন্টেরনকে পরিপাক সংবহন গহ্বর বা গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর (Gastrovascular cavity) বলা হয়।
সিলেন্টেরন বর্ণনা ।। Coelenteron ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স
নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের দেহগহ্বরকে সিলেন্টেরন বলে। হাইড্রার দেহগহ্বর হলো সিলেন্টেরন। আর্কেন্টেরন রুপান্তরিত হয়ে সিলেন্টেরন সৃষ্টি হয়। ইহা গ্যাস্ট্রোডার্মিস দ্বারা আবৃত থাকে। এতে বহিঃকোষীয় পরিপাক ঘটে। এর মধ্য দিয়ে খাদ্যসার ও রেচন পদার্থ পরিবাহিত হয়। তাই একে গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর (Gastrovascular cavity) বা পরিপাক সংবহন গহ্বর বলা হয়। সিলেন্টেরনকে অনেক সময় ব্লাইন্ড গাট (Blind gut) বা ব্লাইন্ড স্যাক (Blind sac) বলা হয়। মুখছিদ্রের মাধ্যমে ইহা বাইরে উন্মক্ত হয়। মুখছিদ্র দ্বারা খাদ্য গ্রহণ ও বর্জ্য ত্যাগ করে।