জীবের সংগঠন মাত্রা ।। Levels of organization ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) কোষীয় মাত্রার গঠনঃ যে দেহগঠনে কিছু কোষ সম্মিলিত হয়ে নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে তাকে কোষীয় মাত্রার গঠন বলে। কোষগুলো জনন কাজ, পুষ্টি সংগ্রহ, বিপাক প্রভৃতি কাজ করে। যেমন- Porifera পর্বের প্রাণী।

(ii) কোষ-কলা মাত্রার গঠনঃ যে দেহগঠনে সদৃশ কিছু কোষ সুনির্দিষ্ট স্তরে বিন্যস্ত হয়ে টিস্যু গঠন করে তাকে কোষ-কলা মাত্রার গঠন বলে। যেমন- Cnidaria পর্বের প্রাণী।

(iii) কলা-অঙ্গ মাত্রার গঠনঃ যে দেহগঠনে একাধিক টিস্যু মিলে অঙ্গ গঠন করে তাকে কলা-অঙ্গ মাত্রার গঠন বলে। যেমন- Platyhelminthes পর্বের প্রাণী।

(iv) অঙ্গ-তন্ত্র মাত্রার গঠনঃ যে দেহগঠনে একাধিক অঙ্গ মিলে তন্ত্র গঠন করে তাকে অঙ্গ-তন্ত্র মাত্রার গঠন বলে। এধরনের গঠন সর্বপ্রথম আবির্ভূত হয়েছে নিমারটিয়ান (Nemertean) নামক সামুদ্রিক প্রাণীতে। যেমন-Nematoda, Annelida, Mollusca, Arthropoda, Echinodermata ও Chordata পর্বের প্রাণী।

কঙ্কাল ।। Skeleton ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

যে তন্ত্র দেহগঠন, দেহের ভার বহন ও দেহকে সংরক্ষণ করে তাকে কঙ্কাল বলে। কঙ্কাল দুই ধরনের।
(i) বহিঃকঙ্কাল (Exoskeleton)ঃ যে কঙ্কাল দেহের বাইরের কাঠামো গঠন করে তাকে বহিঃকঙ্কাল বলে। মেরুদন্ডী প্রাণীদের খুর, শিং, নখ, আঁইশ, পালক, চঞ্চু প্রভৃতি বহিঃকঙ্কাল। আর্থ্রোপোডাদের কাইটিনাস প্লেট এবং মলাস্কাদের ক্যালকেরিয়াস খোলক হলো বহিঃকঙ্কাল।
(ii) অন্তঃকঙ্কাল (Endoskeleton)ঃ যে কঙ্কাল দেহের ভিতরের কাঠামো গঠন করে তাকে অন্তঃকঙ্কাল বলে। মেরুদন্ডি প্রাণীদের অস্থি ও তরুণাস্থি হলো অন্তঃকঙ্কাল। অমেরুদন্ডী প্রাণীদের অন্তঃকঙ্কাল থাকে। পরিফেরাদের স্পিকিউল, একাইডার্মাটাদের ক্যালকেরিয়াস প্লেট প্রভৃতি হলো অন্তঃকঙ্কাল। নরমদেহী প্রাণীদের কঙ্কাল থাকে না। কেঁচো, কৃমি, তেলাপোকা, প্রজাপতি প্রভৃতির কঙ্কাল থাকে না।

সংবহনতন্ত্র ।। Vascular system ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

যে তন্ত্রের মাধ্যমে পানি ও রক্ত প্রবাহিত হয় তাকে সংবহনতন্ত্র বলে। অনুন্নত প্রাণীদের সংবহনের প্রধান মাধ্যম হলো পানি। পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের নালিতন্ত্র এবং একাইনোডার্মাটা পর্বের প্রাণীদের পানি সংবহনতন্ত্র থাকে। উন্নত প্রাণীদের সংবহনের প্রধান মাধ্যম হলো রক্ত বা তরল যোজক কলা। রক্ত সংবহনতন্ত্র দুই ধরনের।

(i) বদ্ধ রক্ত সংবহনতন্ত্র (Closed circulatory system)ঃ যে সংবহনতন্ত্রে রক্ত সর্বদা নালির ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয় তাকে বদ্ধ রক্ত সংবহনতন্ত্র বলে। অ্যানিলিডা ও কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের রক্ত সংবহনতন্ত্র হলো বদ্ধ ধরনের।

(ii) মুক্ত রক্ত সংবহনতন্ত্র (Open circulatory system)ঃ যে সংবহনতন্ত্রে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশ দিয়ে প্রবাহিত হয় তাকে মুক্ত রক্ত সংবহনতন্ত্র বলে। আর্থ্রোপোডা এবং মলাস্কা  পর্বের প্রাণীদের রক্ত সংবহনতন্ত্র হলো মুক্ত ধরনের।

ক্লিভেজ ।। ক্লিভেজের প্রকারভেদ ।। Cleavage and development ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

যে প্রক্রিয়ায় জাইগোট বার বার বিভাজিত হয়ে বহুকোষী ভ্রুণ সৃষ্টি করে তাকে ক্লিভেজ বা সম্ভেদ বলে। ক্লিভেজ সম্পূর্ণ হলে তাকে হলোব্লাস্টিক এবং আংশিক হলে তাকে মেরোবøস্টিক বলে। ক্লিভেজের সময় ডিমের যে প্রান্তে কুসুম থাকে তাকে ভেজিটাল পোল এবং যে প্রান্তে নিউক্লিয়াস থাকে তাকে অ্যানিমেল পোল বলে।

পরিস্ফুটনের ভিত্তিতে ক্লিভেজ দুই ধরনের। এগুলো হলো-

(i) অনির্দিষ্ট ক্লিভেজ (Indeterminate cleavage)ঃ যে ভ্রæণীয় পরিস্ফুটনে ক্লিভেজের প্রাথমিক ধাপে উৎপন্ন প্রতিটি কোষ ভ্রুণ সৃষ্টির ক্ষমতা ধারণ করে তাকে অনির্দিষ্ট ক্লিভেজ বলে।

(ii) নির্দিষ্ট ক্লিভেজ (Determinate cleavage)ঃ যে ভ্রুণীয় পরিস্ফুটনে ক্লিভেজের প্রাথমিক ধাপে উৎপন্ন নির্দিষ্ট কোষ ভ্রæণ সৃষ্টির ক্ষমতা ধারণ করে তাকে নির্দিষ্ট ক্লিভেজ বলে।

 

বিভাজন তলের ভিত্তিতে ক্লিভেজ তিন ধরনের। এগুলো হলো-

(i) অরীয় ক্লিভেজ (Redial cleavage)ঃ যে ক্লিভেজ প্রক্রিয়ায় জাইগোটের কোষগুলো সুষম ও অরীয়ভাবে বিভক্ত হয় তাকে অরীয় ক্লিভেজ বলে। Arthropoda পর্বের প্রাণীদের অরীয় ক্লিভেজ ঘটে।

(ii) দ্বিপার্শ্বীয় ক্লিভেজ (Bilateral cleavage) ঃ যে প্রক্রিয়ায় জাইগোট দ্বিতীয় বিভাজন পর্যন্ত অরীয় এবং তৃতীয় বিভাজন থেকে মধ্যরেখা বরাবর অনুপ্রস্থভাবে ক্লিভেজ ঘটে তাকে দ্বিপার্শ্বীয় ক্লিভেজ বলে। এর ফলে চারটি করে দুই সারি কোষ সৃষ্টি হয়। Chordata পর্বের প্রাণীদের দ্বিপার্শ্বীয় ক্লিভেজ ঘটে।

(iii) সর্পিল ক্লিভেজ (Spiral cleavage)ঃ জাইগোটের অরীয় ও অনুপ্রস্থ বিভাজনের পর তৃতীয় বিভাজনের সময় অ্যানিমেল পোলের ব্লাস্টোমিয়ার গুলো ভেজিটাল পোলের ব্লাস্টোমিয়ারের সাথে চক্রাকারে সামান্য স্থান পরিবর্তন করলে তাকে সর্পিল ক্লিভেজ বলে। অ্যানিলিডা ও মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের সর্পিল ক্লিভেজ ঘটে।

 

ক্লিভেজ ও ভ্রুণীয় বিকাশের উপর ভিত্তি করে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম প্রাণীদের দুইটি দলে ভাগ করা হয়।

(i) প্রোটোস্টোমিয়া (Protostomia)ঃ প্রোটোস্টোমিয়া প্রাণীদের ক্লিভেজ সর্পিল ও নির্ধারিত ধরনের। এদের ভ্রুণীয় ব্লাস্টোপোর মুখছিদ্রে পরিনত হয়। যেমন- অ্যানিলিডা, আর্থ্রোপোডা ও মলাস্কা পর্ব।

(ii) ডিউটারোস্টোমিয়া (Deuterostomia)ঃ ডিউটারোস্টোমিয়া প্রাণীদের ক্লিভেজ সর্পিল ও অনির্ধারিত ধরনের। এদের ভ্রুণীয় ব্লাস্টোপোর পায়ুছিদ্রে পরিনত হয়। যেমন- একাইনোডার্মাটা ও কর্ডাটা পর্ব।

 অঞ্চলায়ন ।। Tagmatization ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

যে প্রক্রিয়ায় প্রাণীদেহকে কয়েকটি বড় অংশ বা ট্যাগমায় বিভক্ত করা হয় তাকে অঞ্চলায়ন বা ট্যাগমাটাইজেশন বলে। প্রতিটি অঞ্চলকে ট্যাগমা বলে। যে বিবর্তনিক প্রক্রিয়ায় অঞ্চলায়ন সম্পন্ন হয় তাকে তাকে ট্যাগমোসিস (Tagmosis) বলে। Arthropoda পর্বের Insecta শ্রেণীর প্রাণীদের দেহ তিনটি ট্যাগমায় বিভক্ত। যথামস্তক, বক্ষ উদর। যেমনঘাসফড়িং (Poekilocerux pictus).      

অন্ডজ । Oviparous । অন্ড-জরায়ুজ । Endo-viviparous । জরায়ুজ প্রাণী । Viviparous । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। অন্ডজ (Oviparous)ঃ যে সব প্রাণী নিষিক্ত বা অনিষিক্ত ডিম পাড়ে এবং ডিম মাতৃদেহের বাইরে পরিস্ফুটিত হয়ে শিশু প্রাণীতে পরিনত হয় তাদেরকে অন্ডজ বলে। যেমন- মাছ, পাখি, সাপ, হাঁস-মুরগী, কচ্ছপ, ব্যাঙ প্রভৃতি।
২। অন্ড-জরায়ুজ (Endo-viviparous)ঃ যে সব প্রাণী ডিম পাড়ে এবং ডিম নিষিক্ত হওয়ার পর মাতৃগর্ভে পরিস্ফুটিত হয়ে শিশুতে পরিনত হয় তাদেরকে অন্ড-জরায়ুজ বলে। যেমন- হাঙ্গর, কিছু উভচর প্রভৃতি।
৩। জরায়ুজ প্রাণী (Viviparous) ঃ যে সব প্রাণীর ডিম মাতৃদেহের ভিতরে নিষিক্ত হয় এবং ভ্রুণ অমরার মাধ্যমে মাতৃদেহ হতে পুষ্টি লাভ করে পুর্ণাঙ্গ শিশু প্রাণীতে পরিনত হয় তাদেরকে জরায়ুজ প্রাণী বলে। যেমন- স্তন্যপায়ী প্রাণীরা।

প্যারাজোয়া ।। Parazoa ।। এন্টেরোজোয়া ।। Enterozoa।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

পৌষ্টিকনালির উপর ভিত্তি করে প্রাণিদের দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
(i) প্যারাজোয়া (Parazoa)ঃ যে সকল প্রাণীর পৌষ্টিক নালী থাকে না তাদেরকে প্যারাজোয়া বলে। Porifera পর্বের প্রাণীরা প্যারাজোয়া। যেমন- সাইকন (Scypha gelatinosum), স্পঞ্জিলা (Spongilla lacustris), ক্লিওনা (Cliona celata) প্রভৃতি।
(ii) এন্টেরোজোয়া (Enterozoa)ঃ যে সব প্রাণীর পৌষ্টিক নালী থাকে তাদেরকে এন্টেরোজোয়া বলে। Annelida, Arthropoda, Nematoda, Platyhelminthes, Echinodermata, Cnidaria, Mollusca ও Chordata পর্বের প্রাণীরা এন্টেরোজোয়া। অযৌন প্রজননকারী এবং যৌন প্রজননকারী।

সিলোমের গুরুত্ব । Importance of coelom । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

(i) সিলোম বিভিন্ন অঙ্গের স্বাধীনভাবে বৃদ্ধি এবং নড়তে সাহায্য করে।

(ii) ইহা প্রাণীদেহের বিভিন্ন অঙ্গকে ঘর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করে।

(iii) সিলোম বর্জ্য পদার্থ, পুষ্টি পদার্থ ও গ্যাসীয় পদার্থকে পরিবহনে সহায়তা করে।

(iv) ইহা প্রাণীর চলনের সময় হাইড্রোস্ট্যাটিক কঙ্কাল হিসেবে কাজ করে।

সিলোম কী । দেহগহ্বর কী । সিলোমের প্রিকারভেদ । Coelom । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

প্রাণীদেহে পৌষ্টিক নালী ও দেহ প্রাচীরের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত পেরিটোনিয়াম নামক আবরণী দ্বারা আবৃত এবং সিলোমিক রস দ্বারা পুর্ণ দেহগহ্বরকে সিলোম বলে। ইহা ভ্রুণীয় মেসোডার্ম হতে সৃষ্টি হয়। সিলোমের প্রকৃতি অনুসারে প্রাণীদেরকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।

(i) অ্যাসিলোমেট (Acoelomate)ঃ যে সব প্রাণীদের সিলোম থাকে না তাদেরকে অ্যাসিলোমেট বলে। এদের ফাঁকা স্থানটি স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা কোষ দ্বারা পুর্ণ থাকে। Porifera, Platyhelminthes, Cnidaria ও Ctenophora পর্বের প্রাণীরা অ্যাসিলোমেট। যেমন- ফিতা কৃমি (Taenia solium), হাইড্রা (Hydra viridis), যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica) প্রভৃতি।

(ii) সিউডোসিলোমেট (Pseudocoelomate)ঃ যে সব প্রাণীদের পৌষ্টিক নালী ও দেহ প্রাচীরের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত দেহ গহ্বর পেরিটোনিয়ামের আবরণী দ্বারা আবৃত নয় তাদেরকে সিউডোসিলোমেট বলে। Nematoda, Rotifera, Acanthocephola, Ectoprocta ও Kinorhyncha পর্বের প্রাণীরা সিউডোসিলোমেট। যেমন- গোল কৃমি (Ascaris lumbricoides), চোখের কৃমি (Loa loa), হুক কৃমি (Ancylostoma duodenale) প্রভৃতি।

(iii) সিলোমেট (Coelomate)ঃ যে সব প্রাণীদের পৌষ্টিক নালী ও দেহ প্রাচীরের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত দেহ গহ্বর পেরিটোনিয়ামের আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে তাদেরকে সিলোমেট বলে। Annelida, Arthropoda, Echinodermata, Mollusca, Hemichordata ও Chordata পর্বের প্রাণীরা সিলোমেট। যেমন- কেঁচো (Metaphire posthuma), মানুষ (Homo sapiens), মশা (Culex pipiens), সমুদ্র তারা (Asterias vulgare), ইলিশ (Tenualosa ilisha), ঝিনুক (Unio marginalis) প্রভৃতি।

 

ভ্রুণীয় বিকাশের ভিত্তিতে সিলোমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

(i) সাইজোসিলাস সিলোমঃ ভ্রুণীয় মেসোডার্মাল কলা থেকে যে সিলোম সৃষ্টি হয় তাকে সাইজোসিলাস সিলোম বলে। যেমন- Annelida, Arthropoda ও Mollusca পর্ব।

(ii) এন্টারোসিলাস সিলোমঃ ভ্রুণীয় মেসোডার্মাল থলী থেকে যে সিলোম সৃষ্টি হয় তাকে এন্টারোসিলাস সিলোম বলে। যেমন- Echinodermata ও Chordata পর্ব।

খন্ডায়ন । সেগমেন্টেশন । মেটামেরিজম । Segmentation । Metamerism। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স 

কোন জীবের দেহ একই রকম খন্ডাংশ দ্বারা গঠিত হলে তাকে খন্ডায়ন বা মেটামেরিজম বলে। প্রতিটি খন্ডককে মেটামিয়ার বা সোমাইট বলে।

(i) খন্ডায়নবিহীন (Asegment)ঃ যে সব প্রাণীর দেহে কোন খন্ডায়ন নাই তাদেরকে খন্ডায়নবিহীন প্রাণী বলে। Chordata পর্বের প্রাণীরা খন্ডায়নবিহীন। যেমন- মানুষ (Homo sapiens), সমুদ্র তারা (Asterias ruben) প্রভৃতি।

(ii) সমখন্ডায়ন (Homonomous metamere)ঃ যে সব প্রাণীর দেহ একই রকম খন্ডক দ্বারা গঠিত তাদেরকে সম-খন্ডায়ন প্রাণী বলে। Annelida পর্বের প্রাণীরা সমখন্ডায়ন। যেমন- কেঁচো (Metaphire posthuma), জোক (Hirudinaria medicinalis) প্রভৃতি।

(iii) অসম খন্ডায়ন (Heteronomous metamere)ঃ যে সব প্রাণীর দেহ অসম বা ভিন্ন ভিন্ন রকম খন্ডক দ্বারা গঠিত তাদেরকে অসমখন্ডায়ন প্রাণী বলে। Arthropoda পর্বের প্রাণীরা অসমখন্ডায়ন। যেমন- তেলাপোকা (Periplaneta americana), প্রজাপ্রতি (Pieris brassicaePalilio krishna) প্রভৃতি।