যে তন্ত্রের মাধ্যমে ইলেকট্রন এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় তাকে ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম বা ETS বলে। এতে ৬ ধরনের বাহক থাকে।
১। ফেরিডক্সিন (Ferredoxin-Fd)ঃ ফেরিডক্সিন হলো আয়রন–সালফার যুক্ত প্রোটিন। ইহা ইলেকট্রন গ্রহণ ও স্থানান্তর করে।
২। সাইটোক্রোম (Cytochrome-Cyt)ঃ ইহা লৌহঘটিত হিম গ্রুপযুক্ত প্রোটিন। ইহা ইলেকট্রন গ্রহণ ও স্থানান্তর করে।
৩। প্লাস্টোকুইনন (Plastoquinone-PQ)ঃ ইহা ক্ষুদ্র গতিশীল লিপিড অণু। ইহা থাইলাকয়েডের মেমব্রেনে মুক্ত ভাবে চলাচল করতে পারে।
৪। ফিওফাইটিন (Pheophytin-Ph)ঃ ইহা রুপান্তরিত ক্লোরোফিল–a। ইহা পরবর্তী বাহক প্লাস্টোকুইনন–এর সাথে সংযোগ সৃষ্টি করে।
৫। প্লাস্টোসায়ানিন (Plastocynin-PC)ঃ ইহা কপারযুক্ত ক্ষুদ্র গতিশীল প্রোটিন অণু। ইহা থাইলাকয়েডের প্রকোষ্ঠে মুক্ত ভাবে ঘুরে বেড়ায়।
৬। NADP/FAD-reductaseঃ ইহা একটি ফ্ল্যাভোপ্রোটিন। এর ফ্ল্যাভিন অংশ ইলেকট্রন গ্রহণ করে।